০৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

“ঢাবিতে আসেন ছাত্র হয়ে বের হয় সন্ত্রাসী হয়ে”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসেন ভালো ছাত্র হিসেবে কিন্তু বের হয় সন্ত্রাসী হয়ে। রাতে মেয়েদের হলের সামনে, চানখারপুল ও মেডিকেলের সামনে তাদের আচরনই তার উৎকৃষ্ট প্রমান।

প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিট এবং গণরুম-গেস্টরুম বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরমানুল হক এসব কথা বলেন।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’র ব্যানারে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে কোটা ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কর্মী সহ অন্তত ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, হল প্রশাসন বলেন তৃতীয় বর্ষের আগে বৈধ সিট নেই আর সে সুযোগটি ব্যবহার করছেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন। হলে উঠতে হয় ছাত্র সংগঠনের ভাইদের হাত ধরে।

কোটা আন্দোলনের নেতা বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, বর্তমানে তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নামে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কলুষিত করছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতেন কিন্তু বর্তমানে তার আদর্শের নামধারীরা ছাত্রদের জন্য কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রেখেছে।

জীববিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী উসামা ফাতেমা বলেন, অনেকে গণরুম সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কিন্তু তিনিই তো ‘গণরুম থেকে গণভবন’ প্রথাটি টিকিয়ে রেখেছেন। আর যদি সেটি শেষ হয়ে যায় তাহলে গণভবনে শিক্ষার্থীরা আর প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে যাবে না।

‘প্রটোকল’ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহজাহান বলেন, মধুতে ভাই চা খাবে, মল চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলবে আর শিক্ষার্থীরা ‘প্রোটোকল’ দেবে এ কেমন কথা? এখানে কেউ ভাইদেরকে প্রটোকল দেয়ার জন্য আসেনি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বাকিবিল্লাহ আল মাহাদী বলেন, গেস্টরুমে গালাগালি একটি সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মতো হয়ে গেছে আমরা কিছুদিন পরে বিশ্বাস করতে থাকি যে এ কোন অপরাধ নয়।

মানববন্ধন শেষে তারা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ হতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলা ভবন প্রদক্ষিণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

“ঢাবিতে আসেন ছাত্র হয়ে বের হয় সন্ত্রাসী হয়ে”

প্রকাশিত : ০৪:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসেন ভালো ছাত্র হিসেবে কিন্তু বের হয় সন্ত্রাসী হয়ে। রাতে মেয়েদের হলের সামনে, চানখারপুল ও মেডিকেলের সামনে তাদের আচরনই তার উৎকৃষ্ট প্রমান।

প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিট এবং গণরুম-গেস্টরুম বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরমানুল হক এসব কথা বলেন।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’র ব্যানারে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে কোটা ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কর্মী সহ অন্তত ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, হল প্রশাসন বলেন তৃতীয় বর্ষের আগে বৈধ সিট নেই আর সে সুযোগটি ব্যবহার করছেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন। হলে উঠতে হয় ছাত্র সংগঠনের ভাইদের হাত ধরে।

কোটা আন্দোলনের নেতা বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, বর্তমানে তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নামে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কলুষিত করছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতেন কিন্তু বর্তমানে তার আদর্শের নামধারীরা ছাত্রদের জন্য কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রেখেছে।

জীববিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী উসামা ফাতেমা বলেন, অনেকে গণরুম সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কিন্তু তিনিই তো ‘গণরুম থেকে গণভবন’ প্রথাটি টিকিয়ে রেখেছেন। আর যদি সেটি শেষ হয়ে যায় তাহলে গণভবনে শিক্ষার্থীরা আর প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে যাবে না।

‘প্রটোকল’ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহজাহান বলেন, মধুতে ভাই চা খাবে, মল চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলবে আর শিক্ষার্থীরা ‘প্রোটোকল’ দেবে এ কেমন কথা? এখানে কেউ ভাইদেরকে প্রটোকল দেয়ার জন্য আসেনি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বাকিবিল্লাহ আল মাহাদী বলেন, গেস্টরুমে গালাগালি একটি সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মতো হয়ে গেছে আমরা কিছুদিন পরে বিশ্বাস করতে থাকি যে এ কোন অপরাধ নয়।

মানববন্ধন শেষে তারা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ হতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলা ভবন প্রদক্ষিণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ