০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তাবলিগের ১৩ সদস্যকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট

রাতের খাবার খাইয়ে তাবলিগ জামাতের ১৩ সদস্যকে অজ্ঞান করে টাকা পয়সা লুটে নিয়ে পালিয়েছে খেদমতের আরেক সাথী। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর এলাকার তিলাহারি পূর্বপাড়া জামে মসজিদে। বুধবার সকালে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাকরাইল থেকে ২০ সদস্যসের তাবগিগের একটি দল চিল্লার জন্য মোহনপুরের কেশরহাট পৌর এলাকার তিলাহারি গ্রামে আসেন। এক মসজিদে তিনদিন থাকার নিয়ম রেখে তারা কয়েকদিন গ্রামের অন্য মসজিদে থাকার পরে মঙ্গলবার পূর্বপাড়া জামে মসজিদে অবস্থান নেন। রিফাত কাজল নামে এক সাথী বলেন, সারাদিনের ইবাদত শেষে রাসেল নামে এক সাথীর খেদমতে ১৩ জন রাতের খাবার খান। কিন্ত রাসেল খাবার পরে খাবেন বললেও তিনি হয়তো আর খাননি।

খাবারের তালিকায় ছিল সাদা ভাত, মুরগির মাংস ও ডাল। সবাই শুয়ে পড়লে রাসেল বাকি সাথীদের কাছে থাকা টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয় মুসল্লিরা এসে তাদের ডাকলেও সবাই অচেতন ছিলেন। পরে স্থানীয়রা তাদের শুশ্রূষা করেন। তবে রাসেল মসজিদের দরজাটা খুলে রেখে পালিয়ে যান।

কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান বলেন, ওই এলাকাটিতে তাবগিগের লোকজন প্রায় আসা যাওয়া করেন। বুধবার সকালে খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছেন।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, এ ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি মসজিদে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে থাকা ১৩ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন তারা অনেকটায় সুস্থ এবং কথা বলতে পারছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধীকে খোঁজা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়া-১ আসনে নিরাপত্তা শঙ্কা: ১৩৫ কেন্দ্রের ৬৬টিই ঝুঁকিপূর্ণ

তাবলিগের ১৩ সদস্যকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট

প্রকাশিত : ০৬:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রাতের খাবার খাইয়ে তাবলিগ জামাতের ১৩ সদস্যকে অজ্ঞান করে টাকা পয়সা লুটে নিয়ে পালিয়েছে খেদমতের আরেক সাথী। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর এলাকার তিলাহারি পূর্বপাড়া জামে মসজিদে। বুধবার সকালে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাকরাইল থেকে ২০ সদস্যসের তাবগিগের একটি দল চিল্লার জন্য মোহনপুরের কেশরহাট পৌর এলাকার তিলাহারি গ্রামে আসেন। এক মসজিদে তিনদিন থাকার নিয়ম রেখে তারা কয়েকদিন গ্রামের অন্য মসজিদে থাকার পরে মঙ্গলবার পূর্বপাড়া জামে মসজিদে অবস্থান নেন। রিফাত কাজল নামে এক সাথী বলেন, সারাদিনের ইবাদত শেষে রাসেল নামে এক সাথীর খেদমতে ১৩ জন রাতের খাবার খান। কিন্ত রাসেল খাবার পরে খাবেন বললেও তিনি হয়তো আর খাননি।

খাবারের তালিকায় ছিল সাদা ভাত, মুরগির মাংস ও ডাল। সবাই শুয়ে পড়লে রাসেল বাকি সাথীদের কাছে থাকা টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয় মুসল্লিরা এসে তাদের ডাকলেও সবাই অচেতন ছিলেন। পরে স্থানীয়রা তাদের শুশ্রূষা করেন। তবে রাসেল মসজিদের দরজাটা খুলে রেখে পালিয়ে যান।

কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান বলেন, ওই এলাকাটিতে তাবগিগের লোকজন প্রায় আসা যাওয়া করেন। বুধবার সকালে খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছেন।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, এ ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি মসজিদে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে থাকা ১৩ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন তারা অনেকটায় সুস্থ এবং কথা বলতে পারছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধীকে খোঁজা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ