০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

‘বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষনের উপর আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। আমরা যারা রাজনীতি করি এখান থেকে অনেক শিক্ষা নিতে পারি। যারা রাজনীতি করি তাদের মধ্যে কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে আমি সৎ, আমি শতভাগ সৎ মানুষ, কয়জন বলতে পারবে, এখানেই সমস্যা। আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতি মুক্ত থাকি তবে দেশের দূর্নীতি আটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।

সততার দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর কথা তুলে ধরে কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন সততার আদর্শ, সততার আদর্শ বড় সম্পদ। একজন রাজনীতিকের জীবনের মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কিছু নেই। মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে সৎ হতে হবে, মানুষকে ভালোবাসতে হবে, মানুষের কাছে থাকতে হবে, মাটির কাছে থাকতে হবে, এই শিক্ষা বঙ্গবন্ধু রাজনীতিকদের দিয়ে গেছেন।

নিজ দলের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের না আনার পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী না আসলে ক্যামেরা আসে না, এই থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এরপরে আমরা ইন্টিডিউস করি, দেখি কয়টা ক্যামেরা আসে। না আসলে কী হবে। সব না আসুক, কেউ না কেউ তো আসবে। তাতে কী হবে! আস্তে আস্তে হবে। মন্ত্রী ছাড়া অনুষ্ঠান কেন হবে না? এতোগুলো বিজ্ঞ মানুষ এতো ভালো কথা বলে এরপরও মন্ত্রী বারবার কেন।

তি‌নি আরো ব‌লেন, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সারাদিন বক্তব্য দিতে দিতে, এক রকম বক্তব্য। বক্তব্য দিতে ইমপুট তো লাগে নতুন ইমপুট না হলে আমাকে বারবার পুরনো কথা বলতে হয়, এতে তো আমি ফালতু হয়ে যাবো। বারবার যে বেশি কথা বলে সে বেশি বাঝে কথা বলে, বারবার এক কথা বলে। আমি মনে করি আমাদের এই ধারাটা বদলাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কাছে ফিরতে চাইলে মূল্যবোধের কাছে ফিরতে হবে।

অনুষ্ঠা‌নে আরো বক্তব্য দেন, সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বিট্রিস কালদুল, আবৃতিকার হাসান আরিফ, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেশনা সম্পাদক আফজান হোসেন প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন’

প্রকাশিত : ০৪:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষনের উপর আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু সততা ও সাহসীকতার বিরল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। আমরা যারা রাজনীতি করি এখান থেকে অনেক শিক্ষা নিতে পারি। যারা রাজনীতি করি তাদের মধ্যে কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে আমি সৎ, আমি শতভাগ সৎ মানুষ, কয়জন বলতে পারবে, এখানেই সমস্যা। আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতি মুক্ত থাকি তবে দেশের দূর্নীতি আটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।

সততার দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর কথা তুলে ধরে কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন সততার আদর্শ, সততার আদর্শ বড় সম্পদ। একজন রাজনীতিকের জীবনের মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কিছু নেই। মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে সৎ হতে হবে, মানুষকে ভালোবাসতে হবে, মানুষের কাছে থাকতে হবে, মাটির কাছে থাকতে হবে, এই শিক্ষা বঙ্গবন্ধু রাজনীতিকদের দিয়ে গেছেন।

নিজ দলের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের না আনার পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী না আসলে ক্যামেরা আসে না, এই থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এরপরে আমরা ইন্টিডিউস করি, দেখি কয়টা ক্যামেরা আসে। না আসলে কী হবে। সব না আসুক, কেউ না কেউ তো আসবে। তাতে কী হবে! আস্তে আস্তে হবে। মন্ত্রী ছাড়া অনুষ্ঠান কেন হবে না? এতোগুলো বিজ্ঞ মানুষ এতো ভালো কথা বলে এরপরও মন্ত্রী বারবার কেন।

তি‌নি আরো ব‌লেন, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সারাদিন বক্তব্য দিতে দিতে, এক রকম বক্তব্য। বক্তব্য দিতে ইমপুট তো লাগে নতুন ইমপুট না হলে আমাকে বারবার পুরনো কথা বলতে হয়, এতে তো আমি ফালতু হয়ে যাবো। বারবার যে বেশি কথা বলে সে বেশি বাঝে কথা বলে, বারবার এক কথা বলে। আমি মনে করি আমাদের এই ধারাটা বদলাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কাছে ফিরতে চাইলে মূল্যবোধের কাছে ফিরতে হবে।

অনুষ্ঠা‌নে আরো বক্তব্য দেন, সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বিট্রিস কালদুল, আবৃতিকার হাসান আরিফ, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেশনা সম্পাদক আফজান হোসেন প্রমুখ।