০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবেন: প্রধানমন্ত্রী

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণটি একসময় বাংলাদেশে প্রচার নিষিদ্ধ ছিল বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন, ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবেন?

২৫ নভেম্বর শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আয়োজনে শোভাযাত্রা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।
প্রধাসমন্ত্র বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। জাতির পিতা এই ভাষণের মধ্য দিয়ে প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন, এত দূরদর্শিতা, দিক নির্দেশনা কোনো ভাষণে পাওয়া যায় না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার মন্ত্রে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। বাংলার মানুষের সঙ্গে জাতির পিতার আত্মিক সম্পর্ক এ ভাষণে ফুটে ওঠে। তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি গেরিলা যুদ্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

১৯৭১-এর ৭ মার্চের জনসমুদ্রে তার আসার সৌভাগ্য হয়েছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এসেছি, ভাষণ শুনেছি। দেখেছি সেদিন বাংলার মানুষের উত্তাল তরঙ্গ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এরপর থেকেই ইয়াহিয়ার শাসন বাংলাদেশে অচল হয়ে যায়। পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মানুষ।’

বেলা দুইটায় শুরু হওয়া সমাবেশে সরকারি চাকুরিজীবীদের সঙ্গে যোগ দেন রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই সমাবেশে যোগ দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:৩১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণটি একসময় বাংলাদেশে প্রচার নিষিদ্ধ ছিল বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন, ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর তারা এখন কোথায় মুখ লুকাবেন?

২৫ নভেম্বর শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আয়োজনে শোভাযাত্রা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।
প্রধাসমন্ত্র বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। জাতির পিতা এই ভাষণের মধ্য দিয়ে প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন, এত দূরদর্শিতা, দিক নির্দেশনা কোনো ভাষণে পাওয়া যায় না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার মন্ত্রে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। বাংলার মানুষের সঙ্গে জাতির পিতার আত্মিক সম্পর্ক এ ভাষণে ফুটে ওঠে। তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি গেরিলা যুদ্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

১৯৭১-এর ৭ মার্চের জনসমুদ্রে তার আসার সৌভাগ্য হয়েছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এসেছি, ভাষণ শুনেছি। দেখেছি সেদিন বাংলার মানুষের উত্তাল তরঙ্গ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এরপর থেকেই ইয়াহিয়ার শাসন বাংলাদেশে অচল হয়ে যায়। পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মানুষ।’

বেলা দুইটায় শুরু হওয়া সমাবেশে সরকারি চাকুরিজীবীদের সঙ্গে যোগ দেন রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই সমাবেশে যোগ দেন।