শ্রীপুর পৌর শহরের অধিকাংশ রাস্তা এখন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার দখলে। রাস্তায়গুলোতে সকাল রাত পর্যন্ত তাদের দাপট আর দৌরাত্ন্যে সাধারণ পথচারীরা একেবারে দিশেহারা। পৌরশহরের প্রতিটি ওলিগলি থেকে শুরু করে শহরমুখী প্রত্যেকটি রাস্তা দখল নিয়ে রেখেছে অটোরিক্সা। লাইসেন্স বিহীন এসব “সুপার গতির” অটোরিক্সার বেশিরভাগ ড্রাইভারের বয়স ১৪ থেক ১৮মর্ধ্যে। তাই এসব অদক্ষ্য ড্রাইভাররা রাস্তায় গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানেনা একেবারেই। আর এরকম ড্রাইভারের সংখ্যা দেখা যায় শতকরা ৮০জন। তাই প্রতিনিয়ম ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা।ঘটছে প্রানহানির মত ঘটনা।
শহরে মহাসড়কে অবাঞ্চিত ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাগুলো মফস্বলে ঢুকছে । অনেকটা সাশ্রয়ী দামে কিনতে পারার কারণে নতুন নতুন অটো মালিক বনে গেছেন বহুজন। তাদের কাছ থেকে ভাড়ায় চালাচ্ছেন সেই চালকেরা যারা অটোরিক্সা বা বেবী টেক্সি চালাতেন। বিদ্যুৎ এর মাধ্যমে ব্যাটারী চার্জ দিয়ে চলে এযানগুলো ।
যাত্রী পরিবহনে ভূমিকা রাখা বিশেষত চলাচল আরামদায়ক হওয়ার কারণে এ পরিবহনের প্রতি অসন্তোষ নেই জনমনেও ।কিন্তু বিপত্তি অন্য জায়গায়। চালকেরা একমুখী যাতায়াতের মতো প্রচণ্ড গতিতে চালাতে চায় এখানেও। স্বল্প পরিসর রাস্তায় প্রায়শ বেপরোয়া গতি লক্ষ্য করা যায়। কম বেশী দুর্ঘটনাও ঘটছে। ইদানীং তা আরও বাড়তে শুরু করেছে।
কথা হল হোসেন আলী,আহাদ আলীর সাথে তারা বলে এই ছোট্র যানটি রাস্তায় উটলে আর ছোট থাকেনা । থাকেনা ওদের ভাড়ার কোন লাগাম, আরো অনেক অভিযোগ । বিশেষ করে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো , মটর সাইকেলের সাথে গতির পাল্লা দেওয়া, এবং ট্রাক-ট্রলিকে ওভারটেক করার কারণে এ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে। প্রাণহানী কম হলেও পঙ্গুত্ব বরণ করছে অহরহ বলে জানান ।
এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ম করে দিলে সেই নিয়ম ভাঙ্গার সুযোগ থাকবেনা। যদিও এ ব্যাপারে থানার প্রতি সাধারন মানুষের একটি নেতিবাচক ধারণা রয়েছে যে যাত্রী সেবায় নিয়োজিত এ বাহনগুলো টোকেন মানিতে চলে। ফলে এদের বেপরোয়া গতিতে যান চলাচলে তাদের কোন বিধি নিষেধ নাই। এ ধারণাটাকে মিথ্যে প্রমাণ করার জন্য থানাকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি থাকবে সামাজিক সচেতনতাও।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম






















