০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

বিচারক-আইনজীবীদের কথোপকথন সংবাদপত্রে নয়

এজলাস চলাকালীন বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে কথোপকথন বা যুক্তি-তর্ক একান্তভাবে কোর্টের সম্পদ এবং এটি সংবাদপত্রে প্রকাশযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

সম্প্রতি প্রেস কাউন্সিল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছে বলে সোমবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

প্রেস কাউন্সিল জানায়, বিচারাধীন মামলার রায়কে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো বিষয় বা ঘটনা এবং বিচারকদের মানহানি ঘটে এমন কোনো মন্তব্য বা মতামত প্রকাশ থেকে গণমাধ্যমকে বিরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারাধীন মামলার বিষয়ে প্রকৃত চিত্র পরিবেশন করা যাবে। কোনো বিষয়ে সন্দেহের উদ্রেক হলে তা সংশ্লিষ্ট কোর্টের বেঞ্চ অফিসার, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার এবং আপিল বিভাগের কাছ থেকে যাচাই করে প্রকাশ করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা হয় এবং বিচারকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় অথবা ক্ষুণ্নের সম্ভাবনা থাকে এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে সাংবাদিকদের বিরত থাকতে হবে।

অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিষয়টি প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন মিডিয়াকে প্রতিপালন করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রণীত ‘সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি ১৯৯৩’ (২০০২ সালে সংশোধিত) এর ১৬ নং দফা অনুসরণের জন্য সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ দফায় বলা হয়েছে, ‘কোনো অপরাধের ঘটনা বিচারাধীন থাকাকালীন সব পর্যায়ে তার খবর ছাপানো এবং মামলা বিষয়ক প্রকৃত চিত্র উদঘাটনের জন্য আদালতের চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করা সংবাদপত্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

তবে বিচারাধীন মামলার রায়কে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো মন্তব্য বা মতামত প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ঘোষণার আগ পর্যন্ত বিরত থাকতে হবে।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের (৮৯১৭/২০১৯ নম্বর) প্রেক্ষিতে গত ৭ আগস্ট রিট মোকাদ্দমাটি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আলী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি করেন।

সব বিষয় বিবেচনা করে হাইকোর্ট যে আদেশ দেন তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ ডটকম সম্পাদক দুই হাজার পরিবারকে উপহার দিলেন ঈদ সামগ্রী

বিচারক-আইনজীবীদের কথোপকথন সংবাদপত্রে নয়

প্রকাশিত : ০৬:০৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এজলাস চলাকালীন বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে কথোপকথন বা যুক্তি-তর্ক একান্তভাবে কোর্টের সম্পদ এবং এটি সংবাদপত্রে প্রকাশযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

সম্প্রতি প্রেস কাউন্সিল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছে বলে সোমবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

প্রেস কাউন্সিল জানায়, বিচারাধীন মামলার রায়কে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো বিষয় বা ঘটনা এবং বিচারকদের মানহানি ঘটে এমন কোনো মন্তব্য বা মতামত প্রকাশ থেকে গণমাধ্যমকে বিরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারাধীন মামলার বিষয়ে প্রকৃত চিত্র পরিবেশন করা যাবে। কোনো বিষয়ে সন্দেহের উদ্রেক হলে তা সংশ্লিষ্ট কোর্টের বেঞ্চ অফিসার, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার এবং আপিল বিভাগের কাছ থেকে যাচাই করে প্রকাশ করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা হয় এবং বিচারকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় অথবা ক্ষুণ্নের সম্ভাবনা থাকে এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে সাংবাদিকদের বিরত থাকতে হবে।

অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিষয়টি প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন মিডিয়াকে প্রতিপালন করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রণীত ‘সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি ১৯৯৩’ (২০০২ সালে সংশোধিত) এর ১৬ নং দফা অনুসরণের জন্য সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ দফায় বলা হয়েছে, ‘কোনো অপরাধের ঘটনা বিচারাধীন থাকাকালীন সব পর্যায়ে তার খবর ছাপানো এবং মামলা বিষয়ক প্রকৃত চিত্র উদঘাটনের জন্য আদালতের চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করা সংবাদপত্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

তবে বিচারাধীন মামলার রায়কে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো মন্তব্য বা মতামত প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ঘোষণার আগ পর্যন্ত বিরত থাকতে হবে।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের (৮৯১৭/২০১৯ নম্বর) প্রেক্ষিতে গত ৭ আগস্ট রিট মোকাদ্দমাটি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আলী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি করেন।

সব বিষয় বিবেচনা করে হাইকোর্ট যে আদেশ দেন তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান