০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি প্রকল্পে সতর্ক হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা নতুন রাস্তা করতে গিয়ে রাস্তার পাশে গরিব মানুষের ঘরবাড়ি ও গ্রাম কিছুতেই ভেঙে ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালাইনমেন্ট পরিবর্তন করে অন্যপাশ দিয়ে রাস্তা ঘুরিয়ে নিতে হবে। আর যদি কারও বাড়িঘর ভাঙতেই হয় তবে সেই ব্যক্তিকে উদারভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরেন।

সরকারি প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ে দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পণ্যের অতিরিক্ত দাম যেন নির্ধারণ করা না হয়। যে পণ্যের যেটুকু দাম সেটুকু নির্ধারণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিভিন্ন প্রকল্পের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাস্তাঘাট নির্মাণে মান বজায় রাখতে হবে, যেন সবাই আরামে চলাফেরা করতে পারেন। কোনো প্রকল্পে ত্রুটি বা সংশোধনের বিষয় থাকলে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নজরে আনবেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক রুটের কৌশলগত স্থানে রয়েছে। এখানে প্লেনের রিফুয়েলিংয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটিকে আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিমানবন্দর করা যেতে পারে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশে যে বিদ্যুৎলাইন নির্মাণ হবে সেটি দিয়ে শুধু বিদ্যুৎ আমদানিই নয়, ভবিষতে রপ্তানিরও লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

সরকারি প্রকল্পে সতর্ক হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:০৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা নতুন রাস্তা করতে গিয়ে রাস্তার পাশে গরিব মানুষের ঘরবাড়ি ও গ্রাম কিছুতেই ভেঙে ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালাইনমেন্ট পরিবর্তন করে অন্যপাশ দিয়ে রাস্তা ঘুরিয়ে নিতে হবে। আর যদি কারও বাড়িঘর ভাঙতেই হয় তবে সেই ব্যক্তিকে উদারভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরেন।

সরকারি প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ে দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পণ্যের অতিরিক্ত দাম যেন নির্ধারণ করা না হয়। যে পণ্যের যেটুকু দাম সেটুকু নির্ধারণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিভিন্ন প্রকল্পের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাস্তাঘাট নির্মাণে মান বজায় রাখতে হবে, যেন সবাই আরামে চলাফেরা করতে পারেন। কোনো প্রকল্পে ত্রুটি বা সংশোধনের বিষয় থাকলে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নজরে আনবেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক রুটের কৌশলগত স্থানে রয়েছে। এখানে প্লেনের রিফুয়েলিংয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটিকে আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিমানবন্দর করা যেতে পারে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশে যে বিদ্যুৎলাইন নির্মাণ হবে সেটি দিয়ে শুধু বিদ্যুৎ আমদানিই নয়, ভবিষতে রপ্তানিরও লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান