০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণের পর হত্যা

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ওয়াইজনগর গ্রামে ৫ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী রুমানা আক্তারকে (১৩) গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য, যুক্তি-তর্ক শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিংগাইর উপজেলার এরামুল হক, রমজান আলী, সাইদুল ইাসলাম ও আবদুল হাকিম।

বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন মামলার অন্যতম আসামি আবদুল হাকিমের উপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

এ ছাড়া ধর্ষণ ও হত্যার এ মামলায় মুরাদ ও সাইফুল নামে দুজন খালাস পেয়েছেন। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ কৌশলী একেএম নুরুল হুদা রুবেল এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. নুরুজ্জামান হোসেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৬ জুলাই স্কুলে যাওয়ার পথে রুমানাকে অপহরণ করে নিয়ে যান আসামিরা।

স্কুলের পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন তারা। পরে সেখানেই তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন আসামিরা। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর চাচা কদম আলী বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রিষাবাড়ীতে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের ১১৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণের পর হত্যা

প্রকাশিত : ০৫:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ওয়াইজনগর গ্রামে ৫ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী রুমানা আক্তারকে (১৩) গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য, যুক্তি-তর্ক শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিংগাইর উপজেলার এরামুল হক, রমজান আলী, সাইদুল ইাসলাম ও আবদুল হাকিম।

বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন মামলার অন্যতম আসামি আবদুল হাকিমের উপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

এ ছাড়া ধর্ষণ ও হত্যার এ মামলায় মুরাদ ও সাইফুল নামে দুজন খালাস পেয়েছেন। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ কৌশলী একেএম নুরুল হুদা রুবেল এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. নুরুজ্জামান হোসেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৬ জুলাই স্কুলে যাওয়ার পথে রুমানাকে অপহরণ করে নিয়ে যান আসামিরা।

স্কুলের পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন তারা। পরে সেখানেই তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন আসামিরা। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর চাচা কদম আলী বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান