বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাটে বাস শ্রমিক ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ শিক্ষার্থী আহত এবং ৬-৭ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে লেবুখালী ফেরিঘাটের পটুয়াখালী প্রান্তে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে শেবামেকের শিক্ষার্থী সাব্বির (২৩), শাকিল (২২), মাসুম রেজা (২০) ও রেদওয়ানকে (১৯) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন জরুরি বিভাগ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং আহতরা জানায়, শেবামেক এর একদল শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে কুয়াকাটা যায়। শুক্রবার কুয়াকাটা থেকে ফিরতে গিয়ে রাত হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসটি সিরিয়াল ভেঙে আগে লেবুখালী ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করে।
এনিয়ে অপর কয়েকটি বাসের শ্রমিকদের সাথে শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ির শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি হয়। এসময় মেডিকেল শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি’র এক পর্যায় হাতাহাতি হয়।
তখন ফেরিঘাটে অবস্থানরত বাস শ্রমিক এবং স্থনিয়রা মিলে লাঠিসোটা নিয়ে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের উপর অতর্কিত হামলা করে।
এতে প্রায় ১৫ জনের মতো শিক্ষার্থী আহত হয়। এক পর্যায় আত্মরক্ষায় মেডিকেল শিক্ষার্থীরা যে যার মতো করে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে দুমকী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে তাদের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস ফেরিতে উঠিয়ে বরিশালে প্রেরণ করা হয়। তবে শিক্ষা সফরে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬-৭ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের।
শেবাচিম হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাজমুস সাকিব জানান, ১৫ জনের মতো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
এদের মধ্যে চার জনের অবস্থায় গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৮-১০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান





















