১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেফিল্ডের মাঠে প্রথম জয় লিভারপুলের

প্রিমিয়ার লিগে অজেয় ব্রামল লেন জয় করলো লিভারপুল। শেফিল্ড ইউনাইটেডের কঠিন প্রতিরোধ ভেঙে দিয়ে প্রথম ৭ ম্যাচে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। শনিবার ১-০ গোলে শেফিল্ডকে হারিয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করলো গতবারের রানার্স আপরা।

২০০৬ সালের পর প্রথমবার ব্রামল লেনে গেলো লিভারপুল, যেখানে প্রিমিয়ার লিগে আগে কখনও জয় পায়নি রেডরা। এই অপ্রতিরোধ্য মাঠে শুরু থেকে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। শেফিল্ডের গোছানো ফুটবলের সঙ্গে ভারী বর্ষণ ছিল বড় বাধা। তাতে প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য।

প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলের কেউ চোখে পড়ার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তবে শুরুর আক্রমণটা এসেছে স্বাগতিকদের কাছ থেকে। ৩ মিনিটে এন্দা স্টিভেন্সের বাড়ানো বলে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে অলিভার ম্যাকবার্নির ডান পায়ের শট সহজে লুফে নেন লিভারপুল গোলরক্ষক আদ্রিয়ান।

জর্জিনিয়ো উইনালডামের ১৬ মিনিটের শট প্রতিহত করে শেফিল্ড খেলোয়াড়। পরের মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে শট নেন সাদিও মানে, কিন্তু গোলপোস্টের বাঁ পাশ দিয়ে চলে যায় বল। একই ভাবে ২৬ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহকে হতাশ হতে হয়।

৩৪ মিনিটে ভার্জিল ফন ডাইকের থ্রো বলে বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া মানের শট অনেক উঁচু দিয়ে ক্রসবার পার হয়। কিছুক্ষণ পর উইনালডামের শটও ক্রসবারের ওপর দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। লিভারপুলের দুর্ভাগ্য যে তারা এগিয়ে থেকে বিরতিতে যেতে পারেনি। ৪৩ মিনিটে সালাহর চতুর পাসে বল পায়ে পান রবের্তো ফিরমিনো। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লক্ষ্যে শট নেওয়ার সময় না পাওয়ায় বাঁ দিকে মানের কাছে বল বাড়িয়ে দেন। কিন্তু লিভারপুলের ১০ নম্বর জার্সিধারীর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর ফিরমিনোর ফিরতি শট ব্লক করেন জন ফ্লেক।

বিরতির পর আক্রমণ বাড়ায় শেফিল্ড। ৫৩ মিনিটে গোলপোস্টের বেশ কাছ থেকে ম্যাকবার্নি হেড করলেও বল দিক পাল্টে ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। লিভারপুল ৭ মিনিট পর বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায়, ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় বল গোলবারের ওপর দিয়ে গেলে। লিভারপুলের ভাগ্য সহায় হয় ৭০ মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে উইনালডামের নিচু শট সহজে ধরতে পারতেন শেফিল্ড গোলকিপার ডিন হেন্ডারসন। কিন্তু হাতে বল ধরে রাখতে পারেননি তিনি, হাত ফসকে দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল গোললাইন পার হয়।

৭৮ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি সালাহ। বক্সের বাইরে থেকে একা বল নিয়ে ঢোকেন তিনি, কিন্তু হেন্ডারসন রুখে দেন তাকে। খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে শেফিল্ড তৈরি করে গোলের সুযোগ। ফ্লেকের থ্রো বল থেকে লিওন ক্লার্কের ডান পায়ের শট গোলবারের কিছুটা পাশ দিয়ে চলে যায়। তাতে প্রথমবার ঘরের মাঠে লিভারপুলকে জয়বঞ্চিত করতে পারেনি দ্য ব্লেডরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শেফিল্ডের মাঠে প্রথম জয় লিভারপুলের

প্রকাশিত : ০৮:২৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রিমিয়ার লিগে অজেয় ব্রামল লেন জয় করলো লিভারপুল। শেফিল্ড ইউনাইটেডের কঠিন প্রতিরোধ ভেঙে দিয়ে প্রথম ৭ ম্যাচে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। শনিবার ১-০ গোলে শেফিল্ডকে হারিয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করলো গতবারের রানার্স আপরা।

২০০৬ সালের পর প্রথমবার ব্রামল লেনে গেলো লিভারপুল, যেখানে প্রিমিয়ার লিগে আগে কখনও জয় পায়নি রেডরা। এই অপ্রতিরোধ্য মাঠে শুরু থেকে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। শেফিল্ডের গোছানো ফুটবলের সঙ্গে ভারী বর্ষণ ছিল বড় বাধা। তাতে প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য।

প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলের কেউ চোখে পড়ার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তবে শুরুর আক্রমণটা এসেছে স্বাগতিকদের কাছ থেকে। ৩ মিনিটে এন্দা স্টিভেন্সের বাড়ানো বলে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে অলিভার ম্যাকবার্নির ডান পায়ের শট সহজে লুফে নেন লিভারপুল গোলরক্ষক আদ্রিয়ান।

জর্জিনিয়ো উইনালডামের ১৬ মিনিটের শট প্রতিহত করে শেফিল্ড খেলোয়াড়। পরের মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে শট নেন সাদিও মানে, কিন্তু গোলপোস্টের বাঁ পাশ দিয়ে চলে যায় বল। একই ভাবে ২৬ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহকে হতাশ হতে হয়।

৩৪ মিনিটে ভার্জিল ফন ডাইকের থ্রো বলে বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া মানের শট অনেক উঁচু দিয়ে ক্রসবার পার হয়। কিছুক্ষণ পর উইনালডামের শটও ক্রসবারের ওপর দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। লিভারপুলের দুর্ভাগ্য যে তারা এগিয়ে থেকে বিরতিতে যেতে পারেনি। ৪৩ মিনিটে সালাহর চতুর পাসে বল পায়ে পান রবের্তো ফিরমিনো। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লক্ষ্যে শট নেওয়ার সময় না পাওয়ায় বাঁ দিকে মানের কাছে বল বাড়িয়ে দেন। কিন্তু লিভারপুলের ১০ নম্বর জার্সিধারীর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর ফিরমিনোর ফিরতি শট ব্লক করেন জন ফ্লেক।

বিরতির পর আক্রমণ বাড়ায় শেফিল্ড। ৫৩ মিনিটে গোলপোস্টের বেশ কাছ থেকে ম্যাকবার্নি হেড করলেও বল দিক পাল্টে ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। লিভারপুল ৭ মিনিট পর বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায়, ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় বল গোলবারের ওপর দিয়ে গেলে। লিভারপুলের ভাগ্য সহায় হয় ৭০ মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে উইনালডামের নিচু শট সহজে ধরতে পারতেন শেফিল্ড গোলকিপার ডিন হেন্ডারসন। কিন্তু হাতে বল ধরে রাখতে পারেননি তিনি, হাত ফসকে দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল গোললাইন পার হয়।

৭৮ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি সালাহ। বক্সের বাইরে থেকে একা বল নিয়ে ঢোকেন তিনি, কিন্তু হেন্ডারসন রুখে দেন তাকে। খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে শেফিল্ড তৈরি করে গোলের সুযোগ। ফ্লেকের থ্রো বল থেকে লিওন ক্লার্কের ডান পায়ের শট গোলবারের কিছুটা পাশ দিয়ে চলে যায়। তাতে প্রথমবার ঘরের মাঠে লিভারপুলকে জয়বঞ্চিত করতে পারেনি দ্য ব্লেডরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ