০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২ শতাংশ

চলতি অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যা সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ শতাংশ কম। এ বছর বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের অর্থনীতির হালনাগাদ নিয়ে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটি যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

গত বছর একই সময়ে ৮ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। কিন্তু এবার তা ১ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ বার্নাড হ্যাভেন। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ে জোরালো প্রবৃদ্ধি এবং জোরালো অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বড় ধরণের বিনিয়োগের উপর ভর করে সাত শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ ইতিবাচক গতিতে এগোচ্ছে। ২০০৭ সালে এসেছিলাম তখন বাংলাদেশ এ অবস্থায় ছিল না। বাংলাদেশ অনেক বিনিয়োগ করেছে। ধীরে ধীরে এর সুফল পাওয়া যাবে। তবে উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বাংলাদেশকে মানসম্পন্ন চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নবীগঞ্জে বীমা কোম্পানির গ্রাহক সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২ শতাংশ

প্রকাশিত : ০৭:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

চলতি অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যা সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ শতাংশ কম। এ বছর বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের অর্থনীতির হালনাগাদ নিয়ে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটি যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

গত বছর একই সময়ে ৮ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। কিন্তু এবার তা ১ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ বার্নাড হ্যাভেন। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ে জোরালো প্রবৃদ্ধি এবং জোরালো অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বড় ধরণের বিনিয়োগের উপর ভর করে সাত শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ ইতিবাচক গতিতে এগোচ্ছে। ২০০৭ সালে এসেছিলাম তখন বাংলাদেশ এ অবস্থায় ছিল না। বাংলাদেশ অনেক বিনিয়োগ করেছে। ধীরে ধীরে এর সুফল পাওয়া যাবে। তবে উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বাংলাদেশকে মানসম্পন্ন চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ