০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

৫৭ ধারা সেভাবে থাকবে না: আনিসুল হক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ‘বিতর্কিত’ ৫৭ ধারা মত প্রকাশের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে থাকবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বুধবার সচিবালয়ে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্তে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

সভা শেষে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমার বিশ্বাস এ ৫৭ ধারা সেভাবে থাকবে না এবং ফ্রিডম অব স্পিচ (বাক স্বাধীনতা) রক্ষা করার জন্য যে সব চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের দরকার সেগুলো ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সম্প্রচার আইনে থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আশা করছি বুধবারই এটি চূড়ান্ত হবে। এরপর এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবো তার সম্মতির জন্য।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের কারণে এ ধারাটি ওই আইন থেকে বাদ দিয়ে তা আরো স্পষ্ট করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত বছরের ২২ আগস্ট ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

তবে খসড়াটি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইনমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছিলেন, ‘যারা কনসার্ন স্টেক হোল্ডার (সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী) তাদের নিয়ে বৈঠক করে এটাকে (খসড়া আইন) আরেকটু পরিশীলিত করবেন।’

খসড়াটি চূড়ান্ত করতে এর আগে কয়েক দফা তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-সহ (বেসিস) সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৫৭ ধারা সেভাবে থাকবে না: আনিসুল হক

প্রকাশিত : ০২:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ‘বিতর্কিত’ ৫৭ ধারা মত প্রকাশের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে থাকবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বুধবার সচিবালয়ে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্তে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

সভা শেষে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমার বিশ্বাস এ ৫৭ ধারা সেভাবে থাকবে না এবং ফ্রিডম অব স্পিচ (বাক স্বাধীনতা) রক্ষা করার জন্য যে সব চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের দরকার সেগুলো ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সম্প্রচার আইনে থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আশা করছি বুধবারই এটি চূড়ান্ত হবে। এরপর এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবো তার সম্মতির জন্য।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের কারণে এ ধারাটি ওই আইন থেকে বাদ দিয়ে তা আরো স্পষ্ট করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত বছরের ২২ আগস্ট ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

তবে খসড়াটি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইনমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছিলেন, ‘যারা কনসার্ন স্টেক হোল্ডার (সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী) তাদের নিয়ে বৈঠক করে এটাকে (খসড়া আইন) আরেকটু পরিশীলিত করবেন।’

খসড়াটি চূড়ান্ত করতে এর আগে কয়েক দফা তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-সহ (বেসিস) সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী।