০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে

অবৈধভাবে তিন কোটি ৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গ্রেফতার কারা অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জা‌মিন আবেদন নামঞ্জুর করে রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আল মামুন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানোর অভিযোগে রবিবার বেলা ১১টা থেকে বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক। এ সময় তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি দুদকের নজরে আসে।
এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক মো. ইউসুফের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম বজলুর রশীদকে গ্রেফতার করে। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন ও সালাউদ্দিন আহমেদ।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘুষের টাকা লেনদেন করতে বজলুর রশীদ নিজের ঠিকানা গোপন করে স্ত্রীর নামে মোবাইল ফোনের সিম কেনেন। সরাসরি টাকা না পাঠিয়ে ঘুষ চ্যানেলের মাধ্যমে তিনি টাকার আদান-প্রদান করতেন।

দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলওয়ার বখত সাংবাদিকদের বজলুর রশীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দুদক আইন-২০০৪’র ২৭ (১) ধারা অনুযায়ী মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ ডটকম সম্পাদক দুই হাজার পরিবারকে উপহার দিলেন ঈদ সামগ্রী

ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে

প্রকাশিত : ০৭:২৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

অবৈধভাবে তিন কোটি ৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গ্রেফতার কারা অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জা‌মিন আবেদন নামঞ্জুর করে রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আল মামুন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানোর অভিযোগে রবিবার বেলা ১১টা থেকে বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক। এ সময় তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি দুদকের নজরে আসে।
এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক মো. ইউসুফের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম বজলুর রশীদকে গ্রেফতার করে। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন ও সালাউদ্দিন আহমেদ।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘুষের টাকা লেনদেন করতে বজলুর রশীদ নিজের ঠিকানা গোপন করে স্ত্রীর নামে মোবাইল ফোনের সিম কেনেন। সরাসরি টাকা না পাঠিয়ে ঘুষ চ্যানেলের মাধ্যমে তিনি টাকার আদান-প্রদান করতেন।

দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলওয়ার বখত সাংবাদিকদের বজলুর রশীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দুদক আইন-২০০৪’র ২৭ (১) ধারা অনুযায়ী মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ