০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

রায়ের পর যে প্রতিক্রিয়া জানালেন নুসরাতের বাবা

আলোচিত ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহার রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলার রায়ে ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নুসরাতের বাবা মাওলানা একেএম মুসা মানিক।

বিজনেস বাংলাদেশকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মেয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনের ফাঁসির রায়ে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

তিনি আরো বলেন, আসামিদের ফাঁসি কার্যকরের আগ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ করছি।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ দেন।

ফাঁসির আসামরিা হলেন -সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদরাসার শিক্ষক আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদরাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল। এদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৬ এপ্রিল নুসরাত জাহানকে মাদরাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে ডেকে নিয়ে হাত-পা বাঁধা হয়। পরে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

৮ এপ্রিল তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যুর পর মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ মামলায় মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম তদন্ত শেষে ২৯ মে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় পাঁচজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অভিযোপত্রভুক্ত ১৬ আসামির মধ্যে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১২জন ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি এন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সরওয়ার আলমগীরের প্রতীক বরাদ্দ বৈধ, অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী

রায়ের পর যে প্রতিক্রিয়া জানালেন নুসরাতের বাবা

প্রকাশিত : ১২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

আলোচিত ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহার রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলার রায়ে ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নুসরাতের বাবা মাওলানা একেএম মুসা মানিক।

বিজনেস বাংলাদেশকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মেয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনের ফাঁসির রায়ে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

তিনি আরো বলেন, আসামিদের ফাঁসি কার্যকরের আগ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ করছি।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ দেন।

ফাঁসির আসামরিা হলেন -সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদরাসার শিক্ষক আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদরাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল। এদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৬ এপ্রিল নুসরাত জাহানকে মাদরাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে ডেকে নিয়ে হাত-পা বাঁধা হয়। পরে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

৮ এপ্রিল তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যুর পর মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ মামলায় মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম তদন্ত শেষে ২৯ মে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় পাঁচজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অভিযোপত্রভুক্ত ১৬ আসামির মধ্যে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১২জন ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি এন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান