দপ্তরী কাম প্রহরীদের চাকরী জাতীয় করণে হাইকোর্টের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারি কল্যাণ সমিতি। রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির ভবনে ল’রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতায় উচ্চ আদালতের রায়টি তুলে ধরে সংগঠনের পক্ষে সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, হাইকোর্টের রায়ে দপ্তরীদের জন্য আলাদা এবং নৈশি প্রহরীদের জন্য আলাদা দুইটি পদ সৃষ্টি করার কথা বলা আছে। একই সঙ্গে চাকরি জাতীয়করণের (রাজস্বখাতে স্থানান্তর) নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া সরকারের তৈরি করা দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালাকে একপেশে হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আদালত। আগামী নভেম্বরের মধ্যে আদালতের এ রায় বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।
অন্যত্থায় ডিসেম্বর মাসে তারা কঠোর কর্মসুচি ঘোষণা করবেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের পর থেকে আমাদের সার্বক্ষনিক বিদ্যালয়ের কাজে নিয়োজিত থাকতে হয়। কোন নৈমিত্তিক ছুটি নাই। বর্তমান উর্ধ্বমূল্যের বাজারে ২৪ ঘন্টা কাজ করতে হয়। কিন্তু এ কর্মঘন্টার বিনিময়ে বেতন মাত্র ১৪ হাজার ৪৫০টাকা। যা বাস্তব সম্মত নয় বলে দাবী করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি সাধন কান্ত বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন মোল্লা, সহ সভাপতি আবুল কালাম, মো. মজিবুর রহমান, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন মোল্লা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বলেন, বর্তমানে তাদেরকে ২৪ ঘন্টাই স্কুলে ডিউটি করতে হয়। স্কুলে কোন চুরি বা কোন কিছু খোয়া গেলে তাদের ওপর দায় চাপানো হয়।
এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরেন। স্কুলে ডাকাতদের হাতে তাদের একজন ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলায় নির্মম খুনের শিকার হয়েছেন বলে তারা জানান। তাছাড়া টুনকো অজুহাতে দপ্তরিদের চাকরি থেকে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক অব্যাহতি দেয়া ঘটনাও ঘটছে বলে উল্লেখ করে তারা দাবী করেন এটা বেআইনি।

























