টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান চান মাহমুদ পাকির আলীকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে সন্ত্রীসারা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে বল্লা বাজারের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, সখীপুর উপজেলার কাহার্তা গ্রামের শাওন (১৯) ও শহীদুল ইসলাম (১৭), কচুয়ার সৌমিত্র শিকদার (১৮), উত্তপাড়া গ্রামের সাগর মিয়া (২৫), রাকিব হাসান (১৯), কায়থা গ্রামের উজ্জ্বল মিয়া (১৯), কালিহাতী উপজেলার খিলগাতি গ্রামের সুজন আহম্মেদ (১৯) ও রতনগঞ্জ গ্রামের সবুজ সওদাগর।
চেয়ারম্যান পাকির আলীর ছোট ভাই আবদুল্লাহ জানান, পাকির আলী বল্লা বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাজারের দক্ষিণ পাশে আহম্মদ আলী নেতার বাড়ির সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচার দাবিতে উপজেলার বল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্কুলের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
চাঁন মাহমুদ পাকির আলী বল্লা শিল্প বণিক সমিতির ছয়বারের সভাপতি, বল্লা করোনেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি এবং বঙ্গের আলীগড় খ্যাত টাঙ্গাইলের সরকারি সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাহমুদ পাকির আলী বৃহস্পতিবার সকালে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই সন্দেহভাজন আটজনকে চারটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার মামলা দায়েরের পর আটককৃতদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে চাঁন মাহমুদ পাকির আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা কো হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কালিহাতীর বল্লার ‘৬টি তাঁতী সমিতির নামে ৬৫ কোটি টাকার মালামাল দালালের নিয়ন্ত্রণে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান চাঁন মাহমুদ পাকির আলীর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে তিনি ওই সংবাদের প্রতিবাদও দিয়েছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ




















