রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে বুধবার বিক্রেতারা কাঁচামরিচ বিক্রি করেছেন ১০০-১২০টাকা। সেখানে একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কারওয়াবাজার, রামপুরা, মালিবাগ, শান্তিনগর, হাঁজিপাড়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
হাঁজিপাড়া বৌ-বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি মরিচ বিক্রি করছেন ১৮০-২০০ টাকায়। তবে ১০০-২৫০ গ্রাম মরিচ কিনতে দাম পড়ছে ২০০ টাকা।
এছাড়া বাজারে কোনো ব্যবসায়ী ১০০ গ্রাম মরিচ ২০ টাকা এবং ২৫০ গ্রাম মরিচ ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না। অথচ একদিন আগেও ব্যবসায়ীরা ২৫০ গ্রাম মরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করেছেন।
শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ২৫০ গ্রাম মরিচ ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। সে হিসাবে বাজারটিতে প্রতিকেজি মরিচের দাম পড়ছে ২৪০ টাকা।

বাজারটির ব্যবসায়ী মো. আলামিন বলেন, বাজারে মরিচের সরবরাহ কম, তাই দাম বেড়ে গেছে। একদিন আগেও ২৫০ গ্রাম মরিচ ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি করেছি। সেই মরিচ এখন ৬০ টাকা পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি করতে হচ্ছে।
বৌ-বাজারের কাঁচাসবজি ব্যবসায়ী মো. বেলায়েত বলেন, আড়তে মরিচের দাম বেড়ে গেছে। বুধবারের তুলনায় শুক্রবার দিগুণ দাম দিয়ে আড়ত থেকে মরিচ আনতে হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বেশি দাম দিয়েও আড়তে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। আমি অল্পকিছু পেয়েছি। কিন্তু এখানকার অধিকাংশ ব্যবসায়ীই আড়তে গিয়ে মরিচ পাননি।
কারওয়ানবাজারে বাজার করতে আসা মো. জামাল বলেন, একের পর এক জিনিসের দাম যে হারে বাড়ছে তা করে আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের বিপদ হয়ে গেছে। কিন্তু কেউ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সব বোঝা এসে পড়ছে আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের উপর। এর আগে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লো, এখন আবার মরিচের দাম বেড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে তো আমাদের জীবন চালানো দুরহ হয়ে পড়বে।























