০২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ডাক্তার না থাকায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নারীসহ ৪ রোগীর মৃত্যু

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় নারীসহ ৪ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের সাথে হাসপাতাল কর্মচারি ও মেডিকেল এসিস্ট্যান্টদের মাঝে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ১ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে কোনো ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসার অভাবে চার রোগীর মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- সদর উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র অনু মিয়া (৬০), দক্ষিণ পইল গ্রামের মৃত ফজর আলীর পুত্র আব্দুর রশিদ (৭০), যুমনাবাদ গ্রামের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আজিজুন্নেসা (৫০) ও বড়কান্দি গ্রামের মোস্তফা মিয়ার স্ত্রী হাসেনা বানু (৩৫)।
নিহতদের স্বজনরা জানান, ডাক্তার না থাকায় নিজের চোখের সামনে স্বজনদের হারিয়েছি। কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে বলে জানান মৃতদের স্বজনরা।
তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, ২৪ ঘণ্টা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একজন ডাক্তার চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকেন।
এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ বজলুর রহমান প্রিয়.কমকে জানান, হাসপাতালে চিকিৎসক ছিল। হয়তবা দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার কারণবশত বাইরে ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সদর হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু স্বাভাবিক একটি ঘটনা। হাসপাতালের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত হলো- চিকিৎসক ছাড়া মেডিকেল সহকারী চিকিৎসা করতে পারবেন না। কিন্তু দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন এবং মেডিকেল সহকারীরাই প্রতিদিনকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে আজ তারেক রহমানের জনসভা

ডাক্তার না থাকায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নারীসহ ৪ রোগীর মৃত্যু

প্রকাশিত : ১১:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় নারীসহ ৪ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের সাথে হাসপাতাল কর্মচারি ও মেডিকেল এসিস্ট্যান্টদের মাঝে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ১ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে কোনো ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসার অভাবে চার রোগীর মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- সদর উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র অনু মিয়া (৬০), দক্ষিণ পইল গ্রামের মৃত ফজর আলীর পুত্র আব্দুর রশিদ (৭০), যুমনাবাদ গ্রামের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আজিজুন্নেসা (৫০) ও বড়কান্দি গ্রামের মোস্তফা মিয়ার স্ত্রী হাসেনা বানু (৩৫)।
নিহতদের স্বজনরা জানান, ডাক্তার না থাকায় নিজের চোখের সামনে স্বজনদের হারিয়েছি। কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে বলে জানান মৃতদের স্বজনরা।
তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, ২৪ ঘণ্টা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একজন ডাক্তার চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকেন।
এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ বজলুর রহমান প্রিয়.কমকে জানান, হাসপাতালে চিকিৎসক ছিল। হয়তবা দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার কারণবশত বাইরে ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সদর হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু স্বাভাবিক একটি ঘটনা। হাসপাতালের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত হলো- চিকিৎসক ছাড়া মেডিকেল সহকারী চিকিৎসা করতে পারবেন না। কিন্তু দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন এবং মেডিকেল সহকারীরাই প্রতিদিনকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।