১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানে এবার সরকার সমর্থকদের বিশাল মিছিল

সপ্তাহব্যাপী সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর সোমবার তেহরানের রাস্তায় দেখা গেল উল্টো চিত্র। সরকারের সমর্থনে রাজপথে বিশাল মিছিল। গত কয়েক দিন ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয় মিছিল থেকে। খবর রয়টার্সের।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ১৫ নভেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। মূলত তরুণ ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরাই বিক্ষোভে শামিল হন। যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির জনগণ নতুন করে কোনো অর্থনৈতিক চাপ নিতে রাজি নয় বলে স্পষ্ট জানান দেয়া হয় বিক্ষোভ থেকে। শুরুতে বিক্ষোভটি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হলেও ক্রমেই এর সঙ্গে দুর্নীতি দমন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি যুক্ত হয়। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাংকসহ প্রায় ১০০টি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীরা ২০০৯ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তুললে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হন।

এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের শীর্ষ কমান্ডার হোসেইন সালামি সরাসরি এ অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সৌদি আরবকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি। কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করলে, আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেব।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রদর্শিত ওই মিছিলের ফুটেজে সরকার সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্দেশে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মোসাভি বলেন, বিদেশি শক্তিগুলোকে আমি আজকের মিছিলের দিকে তাকানোর পরামর্শ দিচ্ছি। তারা দেখুক যে, ইরানের সত্যিকারের জনগণ কারা এবং তারা কী বলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনদুর্ভোগ নয় স্বাভাবিক চলাচল চান প্রধানমন্ত্রী, আইজিপিকে কড়া নির্দেশ

ইরানে এবার সরকার সমর্থকদের বিশাল মিছিল

প্রকাশিত : ১১:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

সপ্তাহব্যাপী সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর সোমবার তেহরানের রাস্তায় দেখা গেল উল্টো চিত্র। সরকারের সমর্থনে রাজপথে বিশাল মিছিল। গত কয়েক দিন ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয় মিছিল থেকে। খবর রয়টার্সের।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ১৫ নভেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। মূলত তরুণ ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরাই বিক্ষোভে শামিল হন। যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির জনগণ নতুন করে কোনো অর্থনৈতিক চাপ নিতে রাজি নয় বলে স্পষ্ট জানান দেয়া হয় বিক্ষোভ থেকে। শুরুতে বিক্ষোভটি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হলেও ক্রমেই এর সঙ্গে দুর্নীতি দমন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি যুক্ত হয়। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাংকসহ প্রায় ১০০টি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীরা ২০০৯ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তুললে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হন।

এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের শীর্ষ কমান্ডার হোসেইন সালামি সরাসরি এ অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সৌদি আরবকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি। কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করলে, আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেব।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রদর্শিত ওই মিছিলের ফুটেজে সরকার সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্দেশে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মোসাভি বলেন, বিদেশি শক্তিগুলোকে আমি আজকের মিছিলের দিকে তাকানোর পরামর্শ দিচ্ছি। তারা দেখুক যে, ইরানের সত্যিকারের জনগণ কারা এবং তারা কী বলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান