০২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমজাদ হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পরিচালক, প্রযোজক, নাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, লেখক ও অভিনেতা আমজাদ হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত বছর আজকের এই দিনে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
তার আগে ১৮ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্মাতাকে ব্যাংককে পাঠানো হয়।

চলচ্চিত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তার স্বীকৃতিও পেয়েছেন দুহাত ভরে। বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা একজন পরিচালক মনে করা হয় তাকে। তার হাতে নির্মিত হয়েছে বহু জনপ্রিয় সিনেমা।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্ম নেয়া আমজাদ হোসেন চলচ্চিত্রে এসেছিলেন অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৬১ সালে ‘তোমার আমার’ নামে একটি ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। পরবর্তীতে মনোনিবেশ করেন চিত্রনাট্য রচনা ও চলচ্চিত্র পরিচালনায়। ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই ভাই’, ‘পিতা পুত্র’ ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’র মতো ছবিগুলো নির্মাণ করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।

এতসব অনবদ্য সৃষ্টির জন্য বহু পুরস্কৃতও পেয়েছেন আমজাদ হোসেন। ১২ বার জিতেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এর মধ্যে আছে শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার, শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা, শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার ও শ্রেষ্ঠ প্রযোজকের পুরস্কার। এছাড়া তার ঝুলিতে ছয়টি বাচসাস পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারও রয়েছে। এমন একজন কিংবদন্তিকে হারানোর শুন্যতা চিরকালই অনুভব করবে বাংলা চলচ্চিত্র।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও পুষ্প অর্পন করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন

আমজাদ হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত : ১২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

পরিচালক, প্রযোজক, নাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, লেখক ও অভিনেতা আমজাদ হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত বছর আজকের এই দিনে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
তার আগে ১৮ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্মাতাকে ব্যাংককে পাঠানো হয়।

চলচ্চিত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তার স্বীকৃতিও পেয়েছেন দুহাত ভরে। বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা একজন পরিচালক মনে করা হয় তাকে। তার হাতে নির্মিত হয়েছে বহু জনপ্রিয় সিনেমা।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্ম নেয়া আমজাদ হোসেন চলচ্চিত্রে এসেছিলেন অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৬১ সালে ‘তোমার আমার’ নামে একটি ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। পরবর্তীতে মনোনিবেশ করেন চিত্রনাট্য রচনা ও চলচ্চিত্র পরিচালনায়। ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই ভাই’, ‘পিতা পুত্র’ ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’র মতো ছবিগুলো নির্মাণ করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।

এতসব অনবদ্য সৃষ্টির জন্য বহু পুরস্কৃতও পেয়েছেন আমজাদ হোসেন। ১২ বার জিতেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এর মধ্যে আছে শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার, শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা, শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার ও শ্রেষ্ঠ প্রযোজকের পুরস্কার। এছাড়া তার ঝুলিতে ছয়টি বাচসাস পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারও রয়েছে। এমন একজন কিংবদন্তিকে হারানোর শুন্যতা চিরকালই অনুভব করবে বাংলা চলচ্চিত্র।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান