০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চবিতে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০, রুম ভাংচুর, ফোন ও কম্পিউটার চুরি

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। হলের বিভিন্ন রুম ভাংচুর করা হয়েছে। এসময় রুমে থাকা ফোন ও লেপটপ কম্পিউটার চুরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে জড়িত গ্রুপ দু’টি ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স) ও বিজয়।

এরমধ্যে ভিএক্স নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন ও বিজয় শিক্ষাউপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেয়। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিজয় গ্রুপটি এফ রহমান হল নিয়ন্ত্রণ করছে। হলের দেওয়ালে তারা তাদের গ্রুপে নাম লিখে রেখেছে। গতকাল ভিএক্স গ্রুপ তাদের নাম লিখতে চাইলে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজয় গ্রুপের এফ রহমান হলের নেতা আল আমিন বলেন, ‘তারা বহিরাগতদের দিয়ে গুলি চালিয়েছে। এরপর মুখ ঢাকা অবস্থায় হলে ঢুকে বিজয় গ্ৰুপের ছাত্রদের রুম ভাঙচুর করেছে। অনেকেই হলের রুমে আটকা পড়েছিল।

এদিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, গতকাল ভোরে বিজয়ের ছেলেরা আমাদের চিকা মুছে দেয়। ভিএক্স এর কর্মীরা তার প্রতিবাদ করলে সংঘর্ষ বাধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি করবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে তাদেরকে একাডেমিক শাস্তি নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

চবিতে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০, রুম ভাংচুর, ফোন ও কম্পিউটার চুরি

প্রকাশিত : ০৪:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। হলের বিভিন্ন রুম ভাংচুর করা হয়েছে। এসময় রুমে থাকা ফোন ও লেপটপ কম্পিউটার চুরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে জড়িত গ্রুপ দু’টি ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স) ও বিজয়।

এরমধ্যে ভিএক্স নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন ও বিজয় শিক্ষাউপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেয়। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিজয় গ্রুপটি এফ রহমান হল নিয়ন্ত্রণ করছে। হলের দেওয়ালে তারা তাদের গ্রুপে নাম লিখে রেখেছে। গতকাল ভিএক্স গ্রুপ তাদের নাম লিখতে চাইলে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজয় গ্রুপের এফ রহমান হলের নেতা আল আমিন বলেন, ‘তারা বহিরাগতদের দিয়ে গুলি চালিয়েছে। এরপর মুখ ঢাকা অবস্থায় হলে ঢুকে বিজয় গ্ৰুপের ছাত্রদের রুম ভাঙচুর করেছে। অনেকেই হলের রুমে আটকা পড়েছিল।

এদিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, গতকাল ভোরে বিজয়ের ছেলেরা আমাদের চিকা মুছে দেয়। ভিএক্স এর কর্মীরা তার প্রতিবাদ করলে সংঘর্ষ বাধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি করবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে তাদেরকে একাডেমিক শাস্তি নেওয়া হবে।