বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কাছে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুমের পশ্চিম জলেফায় স্থাপিত হতে চলেছে ত্রিপুরার প্রথম স্পেশাল ইকোনোমিক জোন (এসইজেড) বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
ভারতের শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি ত্রিপুরাকে এ কথা জানিয়ে চিঠি প্রেরণ করেছে। গত ১৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ত্রিপুরা রাজ্যকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে।
সাব্রুমে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন হলে রাজ্যের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধ হবে। কারণ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের পাশেই থাকবে সীমান্তের ওপারে চট্টগ্রাম বন্দর। এছাড়া ফেনী নদীর উপর সেতু নির্মাণের ফলে প্রচুর বেসরকারি বিনিয়োগকারী সংস্থা বিনিয়োগের জন্য আকৃষ্ট হবে স্পেশাল ইকোনোমিক জোনে। তখন রাজ্যে বাণিজ্যের আরো নতুন পথ উন্মুক্ত হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
মূলত কৃষিভিত্তিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি সেক্টরে নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এই প্রকল্পে আনুমানিক বিনিয়োগ হবে প্রায় ১৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিকাশকারী হিসেবে কাজ করবে ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন ।
সাব্রুমের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বারো হাজার বেকারের কর্মসংস্থান হবে বলে অনুমান করছে কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
রাবার ভিত্তিক শিল্প, টেক্সটাইল এবং পোশাক শিল্প, বাঁশ এবং কৃষি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন করা হবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পর প্রথম পাঁচ বছরের জন্য এসইজেড-এর ইউনিট-গুলি রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে একশ শতাংশ আয়কর ছাড় দেওয়া হবে। মূলত আইনের ধারা ১০ এর অধীনেই এই ছাড় পাবে প্রতিটি ইউনিট।
এছাড়াও পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য ৫০ শতাংশের আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হবে। লাঙ্গল ব্যাক রপ্তানি মুনাফার ৫০ শতাংশ আরো পাঁচ বছরের জন্য ছাড় দেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান
























