১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোহিঙ্গাদের চোখের পানিতে ভিজলো মিয়ানমার আদালত

মিয়ানমারের একটি আদালতে শিশুসহ ৯৩ জন রোহিঙ্গাকে হাজির করা হয়েছিলো। এসময় তাদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছিলো আদালত প্রাঙ্গণ। যদিও এতে মন গলেনি বার্মিজ বিচারকদের।

উপযুক্ত কাগজ ছাড়া ভ্রমণ করায় অপরাধে গত ২৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো এসব রোহিঙ্গাদের। তারা মিয়ানমারের পশ্চিমে অবস্থিত রাখাইন থেকে ইরাওয়াদি পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়। ৯৩ জনের এই দলে ২৩ জন শিশুও রয়েছে। আটককৃত এসব রোহিঙ্গাদের পাথেইন এলাকার একটি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন অভিযোগকারী অভিবাসন কর্মকর্তা।

আদালতে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ৩ জানুয়ারি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আটক রোহিঙ্গাদের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আদালতে রোহিঙ্গাদের আইনজীবী থাজিন মিইন্ট মিয়াত উইন বলেন, ‘রাখাইন প্রদেশের পরিস্থিতি অনেক খারাপ বলে তারা পালাতে চেয়েছিল।’মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই মূলত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস।

২০১৭ সালে ওই রাজ্যে এই মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের সময় সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।‘গণহত্যার অভিপ্রায়ে’এই অভিযানে হত্যা ও ধর্ষণ চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত দল। রাখাইনে এখনো ছয় লাখের মতো রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

তবে তারা স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ মৌলিক অধিকারগুলোর কোনোটিই ঠিকমতো পান না বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘ।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/শ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রোহিঙ্গাদের চোখের পানিতে ভিজলো মিয়ানমার আদালত

প্রকাশিত : ০৮:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯

মিয়ানমারের একটি আদালতে শিশুসহ ৯৩ জন রোহিঙ্গাকে হাজির করা হয়েছিলো। এসময় তাদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছিলো আদালত প্রাঙ্গণ। যদিও এতে মন গলেনি বার্মিজ বিচারকদের।

উপযুক্ত কাগজ ছাড়া ভ্রমণ করায় অপরাধে গত ২৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো এসব রোহিঙ্গাদের। তারা মিয়ানমারের পশ্চিমে অবস্থিত রাখাইন থেকে ইরাওয়াদি পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়। ৯৩ জনের এই দলে ২৩ জন শিশুও রয়েছে। আটককৃত এসব রোহিঙ্গাদের পাথেইন এলাকার একটি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন অভিযোগকারী অভিবাসন কর্মকর্তা।

আদালতে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ৩ জানুয়ারি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আটক রোহিঙ্গাদের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আদালতে রোহিঙ্গাদের আইনজীবী থাজিন মিইন্ট মিয়াত উইন বলেন, ‘রাখাইন প্রদেশের পরিস্থিতি অনেক খারাপ বলে তারা পালাতে চেয়েছিল।’মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই মূলত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস।

২০১৭ সালে ওই রাজ্যে এই মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের সময় সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।‘গণহত্যার অভিপ্রায়ে’এই অভিযানে হত্যা ও ধর্ষণ চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত দল। রাখাইনে এখনো ছয় লাখের মতো রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

তবে তারা স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ মৌলিক অধিকারগুলোর কোনোটিই ঠিকমতো পান না বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘ।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/শ