০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোদি কেবল ভাঙতে জানেন, গড়তে জানেন না: মমতা

ভারতে এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটিতে শীতকালীন এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে এসে এভাবেই সাধারণ মানুষকে ফের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘রেশন কার্ড, ভোটার কার্ডের লিস্টে নাম ঠিক রাখুন। গরিব-ধনী সবার একই অধিকার। নাগরিকত্ব নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বিজেপি। তবে আমরা জনগনের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করব না। একসময় কেন্দ্রীয় সরকার আধার কার্ড ও প্যান কার্ড নিয়েও ভয় দেখিয়েছিল ‘

মমতা বলেন, ‘আমি প্রথম সাংসদ হয়েই উদ্বাস্তুদের জন্য ভেবেছি, কাজ করছি। আমি কাউকে দেশ ছাড়তে দেবো না। এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে। আপনাদের চিন্তা আমার মাথায় দিয়ে দিন, আমি সামলে নেব। সব ধর্ম বর্ণ সম্প্রদায়কে নিয়ে আমরা কাজ করেছি।’

তিনি এদিন মোদির দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি এখনচাপে পড়ে উদ্বাস্তুদের পাশে থাকার কথা জানাচ্ছে। তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলছে।

মমতা শরণার্থীদের সহায়তা করার অঙ্গীকার করে বলেন, ‘আমি উদ্বাস্তুদের পাশে রয়েছি সেই ১৯৮৪ সাল থেকে। উদ্বাস্তুরা যাতে নিঃশর্তে জমির দলিল পায়, সেই ব্যবস্থা আমিই প্রথমবার সাংসদ হওয়ার পর করেছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে আমার সরকার ৯৪টি উদ্বাস্তু কলোনিকে অনুমোদন দিয়েছে। বাকিগুলিকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য চিঠিও লিখেছি।

তার সরকার সবকটি উদ্বাস্তু কলোনিকেই আইনত স্বীকৃতি দিয়েছে বলেও দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জোর গলায় বলেন, যারা ১৯৭১ সালে এই দেশে এসেছেন তারা ভারতীয় নাগরিক।

যাদের আধার কার্ড, প্যান কার্ড আছে তারা ভারতের নাগরিক। কেন্দ্রীয় সরকারে সকালে এক রকম কার্ড বিকালে এক রকম কার্ড চাইলেই তো হবে না।’

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মমতার অভিযোগ, মোদি সরকার কেবল ভাঙতে জানে, গড়তে জানে না।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মোদি কেবল ভাঙতে জানেন, গড়তে জানেন না: মমতা

প্রকাশিত : ১০:২৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯

ভারতে এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটিতে শীতকালীন এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে এসে এভাবেই সাধারণ মানুষকে ফের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘রেশন কার্ড, ভোটার কার্ডের লিস্টে নাম ঠিক রাখুন। গরিব-ধনী সবার একই অধিকার। নাগরিকত্ব নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বিজেপি। তবে আমরা জনগনের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করব না। একসময় কেন্দ্রীয় সরকার আধার কার্ড ও প্যান কার্ড নিয়েও ভয় দেখিয়েছিল ‘

মমতা বলেন, ‘আমি প্রথম সাংসদ হয়েই উদ্বাস্তুদের জন্য ভেবেছি, কাজ করছি। আমি কাউকে দেশ ছাড়তে দেবো না। এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে। আপনাদের চিন্তা আমার মাথায় দিয়ে দিন, আমি সামলে নেব। সব ধর্ম বর্ণ সম্প্রদায়কে নিয়ে আমরা কাজ করেছি।’

তিনি এদিন মোদির দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি এখনচাপে পড়ে উদ্বাস্তুদের পাশে থাকার কথা জানাচ্ছে। তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলছে।

মমতা শরণার্থীদের সহায়তা করার অঙ্গীকার করে বলেন, ‘আমি উদ্বাস্তুদের পাশে রয়েছি সেই ১৯৮৪ সাল থেকে। উদ্বাস্তুরা যাতে নিঃশর্তে জমির দলিল পায়, সেই ব্যবস্থা আমিই প্রথমবার সাংসদ হওয়ার পর করেছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে আমার সরকার ৯৪টি উদ্বাস্তু কলোনিকে অনুমোদন দিয়েছে। বাকিগুলিকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য চিঠিও লিখেছি।

তার সরকার সবকটি উদ্বাস্তু কলোনিকেই আইনত স্বীকৃতি দিয়েছে বলেও দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জোর গলায় বলেন, যারা ১৯৭১ সালে এই দেশে এসেছেন তারা ভারতীয় নাগরিক।

যাদের আধার কার্ড, প্যান কার্ড আছে তারা ভারতের নাগরিক। কেন্দ্রীয় সরকারে সকালে এক রকম কার্ড বিকালে এক রকম কার্ড চাইলেই তো হবে না।’

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মমতার অভিযোগ, মোদি সরকার কেবল ভাঙতে জানে, গড়তে জানে না।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান