০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নেবে ইরাকি জনগণ

রবিবার ইরাকের জনপ্রিয় আধাসামরিক বাহিনী হাশদ আশ-শাবির ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন।

এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, শুধু হাশদ আশ-শাবি নয় ইরাকি জনগণও এই হামলার প্রতিশোধ নেবে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এ অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতা, গোলযোগ, উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রধান কারণ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাশদ আশ-শাবির ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় ইরাকের সার্বভৌমত্ব মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকি জনগণ তাদের দেশ থেকে উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) নির্মূলের ক্ষেত্রে হাশদ আশ-শাবির অবদান কখনো ভুলে যাবে না। ইরাকে টেকসই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় দেশটি থেকে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাদের বিতাড়ন করা।

বিশ্বের কোনো স্বাধীনচেতা দেশের নাগরিক তাদের দেশে মোতায়েন বিদেশি সেনাদের হাতে তাদের সন্তানদের রক্তপাত মেনে নেবে না বলেও আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের প্ররোচনায় গঠিত উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল হাশদ আশ-শাবি।

২০১৪ সালে দায়েশ ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়ার পর প্রখ্যাত শিয়া আলেম আয়াতুল্লাহ আলী সিস্তানির এক ফতোয়া অনুযায়ী দায়েশ দমনের লক্ষ্যে হাশদ আশ-শাবি গঠিত হয়। ২০১৬ সালে ইরাকের পার্লামেন্টে আইন পাস করে এই বাহিনীকে ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নেবে ইরাকি জনগণ

প্রকাশিত : ১১:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯

রবিবার ইরাকের জনপ্রিয় আধাসামরিক বাহিনী হাশদ আশ-শাবির ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন।

এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, শুধু হাশদ আশ-শাবি নয় ইরাকি জনগণও এই হামলার প্রতিশোধ নেবে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এ অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতা, গোলযোগ, উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রধান কারণ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাশদ আশ-শাবির ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় ইরাকের সার্বভৌমত্ব মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকি জনগণ তাদের দেশ থেকে উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) নির্মূলের ক্ষেত্রে হাশদ আশ-শাবির অবদান কখনো ভুলে যাবে না। ইরাকে টেকসই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় দেশটি থেকে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাদের বিতাড়ন করা।

বিশ্বের কোনো স্বাধীনচেতা দেশের নাগরিক তাদের দেশে মোতায়েন বিদেশি সেনাদের হাতে তাদের সন্তানদের রক্তপাত মেনে নেবে না বলেও আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের প্ররোচনায় গঠিত উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল হাশদ আশ-শাবি।

২০১৪ সালে দায়েশ ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়ার পর প্রখ্যাত শিয়া আলেম আয়াতুল্লাহ আলী সিস্তানির এক ফতোয়া অনুযায়ী দায়েশ দমনের লক্ষ্যে হাশদ আশ-শাবি গঠিত হয়। ২০১৬ সালে ইরাকের পার্লামেন্টে আইন পাস করে এই বাহিনীকে ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান