১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যৌন নির্যাতনকারীকে গুলি করে হত‌্যার দাবি

যৌন নির্যাতনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে জাতীয় পার্টির ও বিএনপির একাধিক সাংসদ। প্রয়োজনে যৌন নির্যাতনকারীকে গুলি করে হত‌্যার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে দাবি তোলেন জাপার সাংসদ মুজিবুল হক চুন্নু।

এসময় মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, “ঢাবির ছাত্রীর উপর যৌন নির্যাতন হলো। এর পর যদিও জরুরিভাবে নির্যাতনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে জনমনে এটার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে।

‘ঢাবির ঘটনার পর পরই সাভারে আরেকটি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটলো। এ ঘটনায় মেয়েটিকে হত্যা করা হয়। এরপর ধামরাইতে একই ঘটনা ঘটে।”

পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৯ সাল যৌন নির্যাতনের মহাৎসব।’ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘কেন যৌন নির্যাতনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে? এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?’

তিনি আরো বলেন, ‘যৌন নির্যাতনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েও কন্ট্রোল হচ্ছে না। তাই সময় এসেছে নতুন চিন্তা করার। যৌন নির্যাতনের ঘটনা যদি প্রমাণ হয়, তাহলে নির্যাতনকারীর সাজা যাবজ্জীবন না দিয়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করা হোক।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ সাংসদ বলেন, ‘এতো ঘটনা ঘটছে, মাদকের জন্য এতো ক্রস ফায়ার হচ্ছে, সমানে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়, এই যৌন নির্যাতনের মত জঘণ্য অপরাধের জন্য কেন আজ পর্যন্ত একটা বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় না? বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যদি ব্যবস্থা না নেয়া যায় কোনোক্রমেই কন্ট্রোল হবে না।’

সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘টাঙ্গাইলে বাসে যৌন নির্যাতনের পরপরই পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করল। সেদিন যদি পুলিশ ওই পাঁচ জনকে মধুপুরে নিয়ে গুলি করে মারত, তাহলে কিন্তু আর এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না।

যৌন নির্যাতনকারীর একমাত্র শাস্তি এনকাউন্টারে দিয়ে মেরে ফেলা। যাতে আর কেউ সাহস না পায়। গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ওইখানে গুলি করে মেরে ফেলা হোক।’

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগে সাংসদ তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ভারতে বাসে এক নারীকে যৌন নির্যাতন করা হয়। পরে দোষী পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হয়। এরপর ভারতে ধর্ষণের ঘটনা কমে যায়। তাই এ বিষয়ে এসব সংসদ সদস্যের সঙ্গে আমিও একমত পোষণ করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার কবর জিয়ারত

যৌন নির্যাতনকারীকে গুলি করে হত‌্যার দাবি

প্রকাশিত : ০৯:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২০

যৌন নির্যাতনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে জাতীয় পার্টির ও বিএনপির একাধিক সাংসদ। প্রয়োজনে যৌন নির্যাতনকারীকে গুলি করে হত‌্যার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে দাবি তোলেন জাপার সাংসদ মুজিবুল হক চুন্নু।

এসময় মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, “ঢাবির ছাত্রীর উপর যৌন নির্যাতন হলো। এর পর যদিও জরুরিভাবে নির্যাতনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে জনমনে এটার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে।

‘ঢাবির ঘটনার পর পরই সাভারে আরেকটি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটলো। এ ঘটনায় মেয়েটিকে হত্যা করা হয়। এরপর ধামরাইতে একই ঘটনা ঘটে।”

পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৯ সাল যৌন নির্যাতনের মহাৎসব।’ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘কেন যৌন নির্যাতনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে? এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?’

তিনি আরো বলেন, ‘যৌন নির্যাতনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েও কন্ট্রোল হচ্ছে না। তাই সময় এসেছে নতুন চিন্তা করার। যৌন নির্যাতনের ঘটনা যদি প্রমাণ হয়, তাহলে নির্যাতনকারীর সাজা যাবজ্জীবন না দিয়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করা হোক।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ সাংসদ বলেন, ‘এতো ঘটনা ঘটছে, মাদকের জন্য এতো ক্রস ফায়ার হচ্ছে, সমানে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়, এই যৌন নির্যাতনের মত জঘণ্য অপরাধের জন্য কেন আজ পর্যন্ত একটা বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় না? বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যদি ব্যবস্থা না নেয়া যায় কোনোক্রমেই কন্ট্রোল হবে না।’

সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘টাঙ্গাইলে বাসে যৌন নির্যাতনের পরপরই পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করল। সেদিন যদি পুলিশ ওই পাঁচ জনকে মধুপুরে নিয়ে গুলি করে মারত, তাহলে কিন্তু আর এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না।

যৌন নির্যাতনকারীর একমাত্র শাস্তি এনকাউন্টারে দিয়ে মেরে ফেলা। যাতে আর কেউ সাহস না পায়। গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ওইখানে গুলি করে মেরে ফেলা হোক।’

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগে সাংসদ তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ভারতে বাসে এক নারীকে যৌন নির্যাতন করা হয়। পরে দোষী পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হয়। এরপর ভারতে ধর্ষণের ঘটনা কমে যায়। তাই এ বিষয়ে এসব সংসদ সদস্যের সঙ্গে আমিও একমত পোষণ করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান