০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

বেতন ডাবল, ভবিষ্যৎ জিরো : মেট্রোরেল ছেড়েছেন ১৭০ দক্ষ কর্মী

আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো আর চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে কেউ জীবনে প্রথম বা দ্বিতীয় চাকরি হিসেবে যোগদান করেছিলেন মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডে (ডিএমটিসিএল)। এখানে বেতন কাঠামো সাধারণত জাতীয় বেতন স্কেলের চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমানে গ্রেড অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের ২ থেকে ২.৩ গুণ পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা।

কিন্তু তারপরও শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইস্তফা দিয়েছেন ১৭০ জন কর্মী। এর মধ্যে অবশ্য একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২১ সালে মারা গেছেন।

আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো থাকা সত্ত্বেও ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ১৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি ছেড়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, ২০১৩ সালে কোম্পানি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সার্ভিস রুল (চাকরি বিধিমালা) তৈরি হয়নি। ফলে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং ওভারডিউটি ও শিফটিং কাজের জন্য বাড়তি ভাতা না থাকায় তাঁরা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

ডিএমটিসিএলের তথ্য বলছে, প্রতিষ্ঠানের তিনজন সহকারী ব্যবস্থাপক, একজন সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ার, ১৯ জন সেকশন ইঞ্জিনিয়ার, ছয়জন স্টেশন কন্ট্রোলার, নয়জন ট্রেন অপারেটর, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, ৩৫ জন টিকিট মেশিন অপারেটর, ২৭ জন কাস্টমার রিলেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ৬৯ জন সেমি-স্কিলড মেইনটেইনার— মোট ১৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ডিএমটিসিএলের চাকরি থেকে ইস্তফা চেয়ে বিভিন্ন সময়ে আবেদন করেছেন।

চাকরি ছেড়ে যাওয়া বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরিতে ঢুকলেও অনেকের বেতন গ্রেড ছিল কম। এছাড়া, ২০১৩ সালে কোম্পানি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি সার্ভিস রুল। ফলে এখানে চাকরির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত মনে করে তারা চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন।

ট্যাগ :

অগ্রাধিকার ঠিক করলে ঢাকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত দিল্লি: বিক্রম মিশ্রি

বেতন ডাবল, ভবিষ্যৎ জিরো : মেট্রোরেল ছেড়েছেন ১৭০ দক্ষ কর্মী

প্রকাশিত : ০৭:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো আর চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে কেউ জীবনে প্রথম বা দ্বিতীয় চাকরি হিসেবে যোগদান করেছিলেন মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডে (ডিএমটিসিএল)। এখানে বেতন কাঠামো সাধারণত জাতীয় বেতন স্কেলের চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমানে গ্রেড অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের ২ থেকে ২.৩ গুণ পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা।

কিন্তু তারপরও শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইস্তফা দিয়েছেন ১৭০ জন কর্মী। এর মধ্যে অবশ্য একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২১ সালে মারা গেছেন।

আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো থাকা সত্ত্বেও ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ১৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি ছেড়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, ২০১৩ সালে কোম্পানি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সার্ভিস রুল (চাকরি বিধিমালা) তৈরি হয়নি। ফলে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং ওভারডিউটি ও শিফটিং কাজের জন্য বাড়তি ভাতা না থাকায় তাঁরা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

ডিএমটিসিএলের তথ্য বলছে, প্রতিষ্ঠানের তিনজন সহকারী ব্যবস্থাপক, একজন সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ার, ১৯ জন সেকশন ইঞ্জিনিয়ার, ছয়জন স্টেশন কন্ট্রোলার, নয়জন ট্রেন অপারেটর, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, ৩৫ জন টিকিট মেশিন অপারেটর, ২৭ জন কাস্টমার রিলেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ৬৯ জন সেমি-স্কিলড মেইনটেইনার— মোট ১৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ডিএমটিসিএলের চাকরি থেকে ইস্তফা চেয়ে বিভিন্ন সময়ে আবেদন করেছেন।

চাকরি ছেড়ে যাওয়া বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরিতে ঢুকলেও অনেকের বেতন গ্রেড ছিল কম। এছাড়া, ২০১৩ সালে কোম্পানি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি সার্ভিস রুল। ফলে এখানে চাকরির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত মনে করে তারা চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন।