১১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসির চাহিদা ৩৭১ কোটি টাকা ইভিএমের জন্য

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে চলছে নির্বাচনের ঢামাঢোল। আগামী ৩০ জানুয়ারি এই দুই সিটি নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) হবে ভোট। এই সিটি নির্বাচনের আগে সরকারের ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে অতিরিক্ত অর্থ চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। তাতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইভিএমের জন্য অতিরিক্ত ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকার প্রয়োজন। সরকারের ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে এই পরিমাণ টাকার সংকুলানের সুযোগ না থাকলেও চাহিদার বিপরীতে ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের জন্য সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়য়ের বাস্তবায়নাধীন ‘নির্বাচন ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তি প্রয়োগের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার’ শীর্ষক বিনিয়োগ প্রকল্পের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপিতে জিওবি বাবদ বরাদ্দকৃত ১ হাজার ১২৪ কোটি টাকার অতিরিক্ত ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে বরাদ্দ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চলতি এডিপিতে ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে জিওবি বাবদ ৫০০ কোটি টাকা রক্ষিত ছিল। এরইমধ্যে কিছু প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করায় বিবেচ্য প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপির ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে জিওবি বাবদ ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা সংকুলান করার সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় ইসির চাহিদা অনুযায়ী ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

ইসির চাহিদা ৩৭১ কোটি টাকা ইভিএমের জন্য

প্রকাশিত : ০১:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২০

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে চলছে নির্বাচনের ঢামাঢোল। আগামী ৩০ জানুয়ারি এই দুই সিটি নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) হবে ভোট। এই সিটি নির্বাচনের আগে সরকারের ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে অতিরিক্ত অর্থ চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। তাতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইভিএমের জন্য অতিরিক্ত ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকার প্রয়োজন। সরকারের ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে এই পরিমাণ টাকার সংকুলানের সুযোগ না থাকলেও চাহিদার বিপরীতে ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের জন্য সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়য়ের বাস্তবায়নাধীন ‘নির্বাচন ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তি প্রয়োগের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার’ শীর্ষক বিনিয়োগ প্রকল্পের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপিতে জিওবি বাবদ বরাদ্দকৃত ১ হাজার ১২৪ কোটি টাকার অতিরিক্ত ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে বরাদ্দ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চলতি এডিপিতে ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে জিওবি বাবদ ৫০০ কোটি টাকা রক্ষিত ছিল। এরইমধ্যে কিছু প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করায় বিবেচ্য প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপির ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাত থেকে জিওবি বাবদ ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা সংকুলান করার সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় ইসির চাহিদা অনুযায়ী ৩৭১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান