নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া চীনের উহান থেকে ৩১৪ জন বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশি পাইলটদের অন্য দেশ ঢুকতে দিচ্ছে না। আন্তর্জাতিক সব রুটে ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
তাই ভাড়া করা বিমানের মাধ্যমে চীন থেকে আরও ১৭১ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় এ বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা, চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে আরও ১৭১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে চাইছেন। কিন্তু বাংলাদেশ বিমানে তাদের আনতে সমস্যা হচ্ছে।
কেননা এর আগে ৩১৪ জন বাংলাদেশিকে আনতে যে ফ্লাইটটি গিয়েছিল সেটির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত পাইলট ও অন্যান্য ক্রুদের অন্য দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে নতুন করে যারা আসতে চাইছেন তাদের চীনের কোনো এয়ারলাইনসের ভাড়া করা বিমানে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে যারাই বাংলাদেশে আসবেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

























