চট্টগ্রাম নগরের সড়কগুলোর ব্যাপক খোঁড়াখুঁড়ি চলার কারনে দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের জন্য খোঁড়াখুঁড়ির কারণে যানচলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসেও উড়ছে ধুলাবালু। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে কেটে ফেলা রাস্তার ভরাট ও কার্পেটিং কাজ শুরু করবে সিটি করপোরেশন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন সড়কের পাশ কেটে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। ফলে গাড়ির চাকা ঘোরার সঙ্গে উড়ছে ধুলাবালু। বহদ্দারহাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, মোহরা, মুরাদপুর, চকবাজার, লালখান বাজারসহ সর্বত্র সড়কের খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-হাটহাজারী ও চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের কুয়াইশ,
নজুমিয়া হাট, নেয়ামত আলী এবং মদুনাঘাট এলাকায় রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত করে ওয়াসার পাইপলাইনের পরীক্ষা করা হচ্ছে। বহদ্দারহাট খাজারোডের বিভিন্ন অলিগলিতে গর্ত করে ওয়াসার পাইপলাইন বসানো হয়েছে। কিন্তু এখন প্রায় পাইপলাইন ফেটে পানি বের হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় গর্ত হওয়ার কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। যেন দেখার কেউই নেই…!!!গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। ফলে যানজটসহ নানা দুর্ভোগ এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে। উন্নয়নকাজে ধীরগতি এবং সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণেই জনদুর্ভোগ বাড়ছে বলে মনে করেন নগরবাসী। আর এর খেসারত দিতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
সমন্বয়হীনতার কারণে বিভিন্ন সময় রাস্তা কাটাকাটি হচ্ছে। এ জন্য জাতীয়ভাবে প্রকল্প অনুমোদন এবং অর্থ ছাড়ের সমন্বয়হীনতা মূলত দায়ী। নগর সরকার প্রথা চালু করে সেবাদান প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ছাতার নিচে নিয়ে এলে এই সমস্যা থাকবে না।
সরেজমিনে আরও দেখা গেছে, সিটি করপোরেশন সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো সড়ক কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে গাড়ি চলাচলের উপযোগী করে তুলেছিল। এতে নগরবাসীর মধ্যে কিছুটা স্বস্তিতে ফিরে আসে। আবার নতুন করে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হওয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। পানির পাইপলাইন বসাতে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি হচ্ছে। এটাও একটা উন্নয়নমূলক কাজ। কিন্তু এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।




















