সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সাসটেইনেবল ডেভেলপ মেন্ট গোল ( এসডিজি) ১১টি লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে টেকসই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উন্নয়নকে অন্যতম নিয়ামক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর পরিকল্পিত, দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্প বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
আজ ৫ ফেব্রুয়ারি চসিক সম্মেলন কক্ষে ইয়ুথ ফোরাম’র উদ্যোগে “এসডিজি টেকসই নগর” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-২০৩০ কর্মপরিকল্পনা” গৃহীত হয়। টেকসই নগর ও জনপদের উন্নয়নে করনীয় নির্ধারণ নিয়ে কর্মপরিকল্পনায় এজেন্ডা বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারিত হয়। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না। আমাদের উন্নয়ন হচ্ছে। এতে সরকারের প্রচুর ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু জনগণ তার প্রত্যাশিত সুফল ভোগ করতে পারছে না। সেবা সংস্থাগুলো সকলেই স্ব স্ব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসুত্রিতা হচ্ছে। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। আবার এক সংস্থার বিলম্বিত প্রকল্প কাজের প্রভাব পড়ছে অন্য সংস্থা গৃহীত প্রকল্পের উপর। বাড়ছে জনদুর্ভোগ ভোগান্তি।
মেয়র আরো বলেন, একটি সুন্দর পরিকল্পিত নগর বিনির্মাণ করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে হবে। এসডিজি’র লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের হাতে সময় আছে আর মাত্র দশটি বছর। এই সীমিত সময়ের মধ্যে আমাদেরকে লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে সকল সংকীর্ণতা পরিহার করে দেশের স্বার্থে বাস্তবধর্মী নিরীক্ষায় পরিকল্পনা গ্রহন করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
সেমিনারে চসিক প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহা, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার, স্থাপত্য গবেষক প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক সৈয়দ মো তানভীর, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব , চসিক প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, স্থপতি জেরিনা খানমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইএম




















