পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি মাসেও পদ্মা সেতুতে বসতে যাচ্ছে ৩টি স্প্যান। জানা গেছে, আসন্ন বর্ষার আগে সব স্প্যান বসাতে হলে এর কোন বিকল্প দেখছেন না প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিমাসে গড়ে ৩টি করে স্প্যান বসার কথা। বাকি ১৬টি স্প্যান বসতে হাতে সময় আছে ৫ মাস। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কাজ এগোচ্ছে।
এদিকে, ৪২টি পিলারের মধ্যে শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে ৩৯টির। বাকি তিনটি পিলারের কাজও শেষ হবে আগামী মাসে। এখন পর্যন্ত মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৭৮ ভাগ।
৪১টি স্প্যানের মধ্যে চীন থেকে দেশে এসে পৌছেছে ৩৭টি। ২টি স্প্যান পথে আছে, আর বাকি দুটি স্প্যান আসবে কিছুদিনের মধ্যে। স্প্যানের যন্ত্রাংশগুলো দেশে এসে পৌঁছানোর পরও সেগুলোকে জোড়া দেয়া আর রং করার কাজ শেষ করতে তিন মাস সময় লাগবে।
সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের বলেন, পদ্মাসেতুর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করি, সেতুটি ২০২১ সালের মধ্যে যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি না হলে পদ্মাসেতুর কাজের উপর প্রভাব পড়তে পারে।
শনিবার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি। তিনি বলেন, পদ্মাসেতুতে প্রায় এক হাজারের মতো চীনাকর্মী কাজ করে। এর মধ্যে ১৫০ জন ছুটিতে গেছেন। তারপরও ২৫তম স্প্যান বসানো হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে করোনাভাইরাস পরিনস্থিতির যদি উন্নতি না হয়, আর যারা ছুটিতে আছেন তারা ফিরে না এলে পদ্মাসেতুর কাজে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ আরিফ
























