১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

দুই নেতাকর্মীর হত্যার ঘটনায় রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

নোয়াখালী ও খুলনায় ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মী হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ছাত্রলীগের দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয় নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, কিছুদিন পরেই আমরা মুজিব বর্ষ পালন করতে যাচ্ছি। তার কয়েক দিন আগেই আমার ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছে এই স্বাধীন বাংলার ভূখণ্ড। ইতিমধ্যে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শিবিরমুক্ত করেছি। কিন্তু এই ভূখণ্ডকে তারা আবারো রক্তে রঞ্জিত করার পায়তারা করছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে তখনি সে একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম করেছে, নিহত করেছে। শুধু নোয়খালীর কিংবা খুলনার ঘটনা নয় আমাদেরও অনেক নেতাকর্মীকে তারা হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করে তারা জীবন-মরণের সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আমাদের রক্ত কি রক্ত নয়? আর কতো রক্ত গেলে জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হবে? এই ক্যাম্পানে একটি শিবিরকর্মীকে যদি কোথাও পাওয়া যায় আপনারা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন। এবং আমাদেরকে জানাবেন আমরা যেনো তাৎক্ষণিকভাবে তার সমুচিত জবাব দিবো।”

ফয়সাল আহমেদ রুনুর সঞ্চালনায় সমাবেশে রাবি শাখার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাবিবুল্লাহ নিক্সন, কাজী আমিনুল হক লিংকন ,সাদ্দাম হোসেন, সরকার ডন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম দুর্জয়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, অনুষদ ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ছাত্রলীগের উপর ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে গুরুতর আহতদেরকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছাত্রলীগকর্মী রাকিবুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। একইদিন খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাদিউজ্জামান রাসেল (২৮) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই নেতাকর্মীর হত্যার ঘটনায় রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত : ০২:৩১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০

নোয়াখালী ও খুলনায় ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মী হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ছাত্রলীগের দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয় নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, কিছুদিন পরেই আমরা মুজিব বর্ষ পালন করতে যাচ্ছি। তার কয়েক দিন আগেই আমার ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছে এই স্বাধীন বাংলার ভূখণ্ড। ইতিমধ্যে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শিবিরমুক্ত করেছি। কিন্তু এই ভূখণ্ডকে তারা আবারো রক্তে রঞ্জিত করার পায়তারা করছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে তখনি সে একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম করেছে, নিহত করেছে। শুধু নোয়খালীর কিংবা খুলনার ঘটনা নয় আমাদেরও অনেক নেতাকর্মীকে তারা হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করে তারা জীবন-মরণের সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আমাদের রক্ত কি রক্ত নয়? আর কতো রক্ত গেলে জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হবে? এই ক্যাম্পানে একটি শিবিরকর্মীকে যদি কোথাও পাওয়া যায় আপনারা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন। এবং আমাদেরকে জানাবেন আমরা যেনো তাৎক্ষণিকভাবে তার সমুচিত জবাব দিবো।”

ফয়সাল আহমেদ রুনুর সঞ্চালনায় সমাবেশে রাবি শাখার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাবিবুল্লাহ নিক্সন, কাজী আমিনুল হক লিংকন ,সাদ্দাম হোসেন, সরকার ডন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম দুর্জয়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, অনুষদ ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ছাত্রলীগের উপর ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে গুরুতর আহতদেরকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছাত্রলীগকর্মী রাকিবুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। একইদিন খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাদিউজ্জামান রাসেল (২৮) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ