ধর্ষণের বিষয়টা বিশ্বব্যাপী একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের যেমন একদিকে সচেতনতা দরকার। সেই সঙ্গে আমাদের পুরুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কারণ এই নারী ধর্ষণকারী কিন্তু আমাদের পুরুষরাই। যারা নারীদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করে, তারা যে একটা সমাজের সব থেকে জঘন্য-তাদের আমার মানুষ বলতেও ইচ্ছা করে না এরা পশুর থেকেও অধম।
রোববার (৮ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, নারীরা সবসময় নানা ধরনের যন্ত্রণার শিকার হয়, এসব মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। বিভিন্ন আইনও করেছি। আইনগতভাবে শাস্তির ব্যবস্থাও করেছি তারপরও নানা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এরজন্য সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রামে নারীদের অবদান রয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে সব আন্দোলনে নারীরা ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে সব ধরনের স্পোর্টসে মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের পৃষ্টপোষকতা করার চেষ্টা করছি। মেয়েরা যে পারে সেটা তারা দেখিয়ে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেন্ডার বৈষম্য একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। আমাদের এখানে তার উল্টো হয়ে গেছে। আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে, সেখানে ছাত্রের সংখ্যা কম। ফলাফল ঘোষণা করলে দেখি মেয়েরা অনেকে এগিয়ে। পাসও করে ভালো। এখন আমাদের ঠিক করতে হবে ছাত্ররা কেন পিছিয়ে আছে। শিক্ষামন্ত্রী আপনি এ বিষয়টিতে একটু নজর দিবেন।
আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে নারীদের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একমাত্র দল যার গঠনতন্ত্রে নারী অধিকারের কথা লেখা রয়েছে। সমান অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের আর কোনো দল এটা করতে পারেনি। নারীরা যত স্বাবলম্বী হবে, লেখাপড়া শিখবে সমাজ তত এগিয়ে যাবে। সমাজের একটি অংশকে অকেজো রেখে দিয়ে একটি সমাজ সঠিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে না। তাহলে সে সমাজ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর
























