ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত নির্মিত দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ সড়ক দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ যাতায়াত করতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা, তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে পারব। এটাই বড় পাওয়া। এ মাসেই আমরা সড়ক পথে বাড়ি যাব। এটি মুজিব বর্ষের উপহার।৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়ক দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে।
তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করলো আধুনিক মহাসড়কের যুগে।
বৃহস্পিতবার (১২ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়েসহ বেশকিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠান থেকে আরো উদ্বোধন করা হয়- খুলনা, গোপালগঞ্জ ও বরিশালে নবনির্মিত ২৫ টি ব্রিজ৷ পাশাপাশি, চট্টগ্রামে তৃতীয় কর্ণফুলি সেতুর ৬ লেনের সংযোগ সড়কও উদ্বোধন করেন সরকার প্রধান।
উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে প্রথম ৮ লেন সড়ক এটি। সড়কে ৪ লেনের মূল এক্সপ্রেসওয়ে এবং ধীরগতির যানবাহনের জন্য উভয়মুখী চার লেনের সার্ভিস রোড থাকবে। এর ফলে ঢাকা থেকে মাওয়া যাওয়া যাবে মাত্র ২৭ মিনিটেই।
২০১৬ সালের মে মাসে ৬ হাজার ৮৫২ কোটি ৯২ লাখ টাকার এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০২০ সালের জুন মাস। নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হলো কাজ। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এ সড়কের সার্বিক কাজ করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার্স কন্সট্রাকশন ব্রিগেড।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























