০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলজিইডি’র লোকবল সংকটের মধ্যেও চলছে উন্নয়ন কাজ

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের।

এ বছর জেলার এক মাত্র বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে র্নিমিত হয়েছে সদর এলজিউডির সহযোগিতায়। এ ছাড়াও চলতি অর্থ বছরে কয়েক কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। তার মধ্যে সদর উপজেলা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের বারাবার বাড়ি থেকে ভৈষবেড় সড়ক নিমার্ণ করা হচ্ছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যায়ে। সুরমা ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর থেকে ডলুরা পর্যন্ত সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে।

সদর উপজেলার কুরবান নগর ইউনিয়নের মাইজ বাড়ি গ্রামে জনসাধারণের দীর্ঘ দিনের র্দুভোগ লাগবের জন্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে নিমার্ণ করা হচ্ছে একটি সেতু। এটিও বাস্তবায়ন করছে সদর উপজেলা এলজিইডি।
সদরে আটটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিল্ডিং নিমার্ণ প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে।

জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা থেকে ভারত সীমান্তবর্তী হাসাউড়া পর্যন্ত ১ কোটি টাকা ব্যায়ে সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে।

আর এ সব কাজ বাস্তবায়ন করেত গিয়ে হিমশিম থেকে হচ্ছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)কে। চরম লোকবল সংকট রয়েছে এই দপ্তরে মোট ২১ জন কর্মকর্তা কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৭ জন। সদর উপজেলা প্রকৌশলী কম্পিউটারের কাজ থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত কাজ করছেন। কারিগরি কর্মকর্তার স্বল্পতা থাকার পরও প্রকৌশলী সন্ধার দিকে বেশি সময় ব্যায় করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

কম্পিউটার অপারেটর না থাকার কারণে বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ ই-মেইল প্রকৌশলীকে নিজেই দেখতে হয়। আর এ কারণে অনেক কাজ পরিদর্শনে থাকলে এই সব কাজে ব্যাঘাত ঘটে।

অফিসেও আরও লোকবল জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন। সদর উপজেলার ভবনটি পুরাতন হয়ে যাওয়ার কারণে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন আরেকটি ভবন নিমার্ণের উদ্যেগ নেয়া হয়েছে সেটিও বাস্তবায়ন করবে সদর উপজেলার প্রকৌশল অধিদপ্তর। সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে সর্ব প্রথম অনলাইনে ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে যেমন ঝামেলা কমেছে। একই ভাবে স্বচ্ছতাও বেড়েছে।

এই অর্থ বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করবে সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

সদর উপজেলার ঠিকাদার আব্দুর রউফ বলেন, চরম জনবল সংকটের মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন সদর উপজেলা প্রকৌশলী। তিনি একক ভাবে সব কাজই করছেন উনার দক্ষতার মাধ্যমে। আমরা এখান থেকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকি। কাজের গুণগত মান ঠিক না থাকলে কাউকে তিনি ছাড় দেন না।

সদর উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সংকটের মধ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কারণ সরকালের এক মাত্র গ্রাম হবে শহর এই ভাবে এগিয়ে যাবে দেশ। আমরা যদি কাজ না করি তা হলে তো হবে। অজুহাত বিভিন্ন ভাবে দেখানো যায়। কিন্তু কাজ করতে হবে। আমার অফিসে লোকবল সংকট রয়েছে। কিন্তু কাজের সংকট নেই।

কাজ চলছে চলছে চলবে। আমি নিজেই অনেক ছোটখাট কাজ করে ফেলি। তারপরও যদি উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ লোকবল নিয়োগ দেন তাহলে কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। চারজন প্রকৌশলী থাকার কথা তার মধ্যে শুধু আমিই আছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন পরবর্তী ধানের শীষের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

এলজিইডি’র লোকবল সংকটের মধ্যেও চলছে উন্নয়ন কাজ

প্রকাশিত : ০৭:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের।

এ বছর জেলার এক মাত্র বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে র্নিমিত হয়েছে সদর এলজিউডির সহযোগিতায়। এ ছাড়াও চলতি অর্থ বছরে কয়েক কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। তার মধ্যে সদর উপজেলা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের বারাবার বাড়ি থেকে ভৈষবেড় সড়ক নিমার্ণ করা হচ্ছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যায়ে। সুরমা ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর থেকে ডলুরা পর্যন্ত সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে।

সদর উপজেলার কুরবান নগর ইউনিয়নের মাইজ বাড়ি গ্রামে জনসাধারণের দীর্ঘ দিনের র্দুভোগ লাগবের জন্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে নিমার্ণ করা হচ্ছে একটি সেতু। এটিও বাস্তবায়ন করছে সদর উপজেলা এলজিইডি।
সদরে আটটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিল্ডিং নিমার্ণ প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে।

জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা থেকে ভারত সীমান্তবর্তী হাসাউড়া পর্যন্ত ১ কোটি টাকা ব্যায়ে সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে।

আর এ সব কাজ বাস্তবায়ন করেত গিয়ে হিমশিম থেকে হচ্ছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)কে। চরম লোকবল সংকট রয়েছে এই দপ্তরে মোট ২১ জন কর্মকর্তা কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৭ জন। সদর উপজেলা প্রকৌশলী কম্পিউটারের কাজ থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত কাজ করছেন। কারিগরি কর্মকর্তার স্বল্পতা থাকার পরও প্রকৌশলী সন্ধার দিকে বেশি সময় ব্যায় করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

কম্পিউটার অপারেটর না থাকার কারণে বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ ই-মেইল প্রকৌশলীকে নিজেই দেখতে হয়। আর এ কারণে অনেক কাজ পরিদর্শনে থাকলে এই সব কাজে ব্যাঘাত ঘটে।

অফিসেও আরও লোকবল জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন। সদর উপজেলার ভবনটি পুরাতন হয়ে যাওয়ার কারণে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন আরেকটি ভবন নিমার্ণের উদ্যেগ নেয়া হয়েছে সেটিও বাস্তবায়ন করবে সদর উপজেলার প্রকৌশল অধিদপ্তর। সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে সর্ব প্রথম অনলাইনে ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে যেমন ঝামেলা কমেছে। একই ভাবে স্বচ্ছতাও বেড়েছে।

এই অর্থ বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করবে সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

সদর উপজেলার ঠিকাদার আব্দুর রউফ বলেন, চরম জনবল সংকটের মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন সদর উপজেলা প্রকৌশলী। তিনি একক ভাবে সব কাজই করছেন উনার দক্ষতার মাধ্যমে। আমরা এখান থেকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকি। কাজের গুণগত মান ঠিক না থাকলে কাউকে তিনি ছাড় দেন না।

সদর উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সংকটের মধ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কারণ সরকালের এক মাত্র গ্রাম হবে শহর এই ভাবে এগিয়ে যাবে দেশ। আমরা যদি কাজ না করি তা হলে তো হবে। অজুহাত বিভিন্ন ভাবে দেখানো যায়। কিন্তু কাজ করতে হবে। আমার অফিসে লোকবল সংকট রয়েছে। কিন্তু কাজের সংকট নেই।

কাজ চলছে চলছে চলবে। আমি নিজেই অনেক ছোটখাট কাজ করে ফেলি। তারপরও যদি উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ লোকবল নিয়োগ দেন তাহলে কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। চারজন প্রকৌশলী থাকার কথা তার মধ্যে শুধু আমিই আছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইএম