০৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নানার সঙ্গে উষ্ণতা ও স্নেহের কথা বললেন জয়

বঙ্গবন্ধুর নাতি সজীব ওয়াজেদ জয় তার নানার সঙ্গে উষ্ণতা ও স্নেহের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নাস্তা করতে ভালোবাসতেন এবং তিনি যা খেতেন তাই খেতে জিদ ধরতেন।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ভিত্তিক রাজনৈতিক সংবাদ এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ক ‘রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিক্স’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জয় লিখেছেন, ‘আমি আমার নানার সঙ্গে নাস্তা করতে ভালোবাসতাম। তিনি যা খেতেন তাই খেতে জিদ করতাম।’

জয় লিখেছেন, এ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তাঁর কন্যা (আমার মা) এবং আমি গোটা জাতির সঙ্গে তা উদযাপন করছি। আমার নানা শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু অথবা ‘ফ্রেন্ড অব বেঙ্গল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার জন্য নেতৃত্ব দেন। সেই বছরই তার জন্ম।

তিনি বলেন, ‘আমার বয়স যখন ৪ বছর তখন আমার নানার প্রত্যাশা প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়। সে সময় আমার মা, বাবা, বোন এবং খালাসহ আমরা জার্মানি সফরে ছিলাম। সেনা কর্মকর্তারা আমার নানার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যা করে। এরপর একটি বর্বর সামরিক জান্তা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে।’

জয় বলেন, ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তার মা ও তাকে তাদের মাতৃভূমিতে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁর নিয়ামতপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিন যুবক গ্রেপ্তার

নানার সঙ্গে উষ্ণতা ও স্নেহের কথা বললেন জয়

প্রকাশিত : ০৫:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২০

বঙ্গবন্ধুর নাতি সজীব ওয়াজেদ জয় তার নানার সঙ্গে উষ্ণতা ও স্নেহের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নাস্তা করতে ভালোবাসতেন এবং তিনি যা খেতেন তাই খেতে জিদ ধরতেন।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ভিত্তিক রাজনৈতিক সংবাদ এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ক ‘রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিক্স’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জয় লিখেছেন, ‘আমি আমার নানার সঙ্গে নাস্তা করতে ভালোবাসতাম। তিনি যা খেতেন তাই খেতে জিদ করতাম।’

জয় লিখেছেন, এ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তাঁর কন্যা (আমার মা) এবং আমি গোটা জাতির সঙ্গে তা উদযাপন করছি। আমার নানা শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু অথবা ‘ফ্রেন্ড অব বেঙ্গল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার জন্য নেতৃত্ব দেন। সেই বছরই তার জন্ম।

তিনি বলেন, ‘আমার বয়স যখন ৪ বছর তখন আমার নানার প্রত্যাশা প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়। সে সময় আমার মা, বাবা, বোন এবং খালাসহ আমরা জার্মানি সফরে ছিলাম। সেনা কর্মকর্তারা আমার নানার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যা করে। এরপর একটি বর্বর সামরিক জান্তা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে।’

জয় বলেন, ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তার মা ও তাকে তাদের মাতৃভূমিতে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর