০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটিসহ পাঁচ উপনির্বাচন স্থগিত

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সহ সব উপনির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। এসময় জানানো হয়, একই সঙ্গে স্থগিত করা হয়েছে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনও।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল।

এ নির্বাচনে বৈধ ছয় প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়াও কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে গত ১৮ জানয়ারি বগুড়া-১ আসন আর যশোর-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে ২১ জানুয়ারি।

সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে ১৬ এপ্রিল আর যশোহর-৬ আসনে ১৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন পরবর্তী ধানের শীষের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

চট্টগ্রাম সিটিসহ পাঁচ উপনির্বাচন স্থগিত

প্রকাশিত : ০৩:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সহ সব উপনির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। এসময় জানানো হয়, একই সঙ্গে স্থগিত করা হয়েছে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনও।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল।

এ নির্বাচনে বৈধ ছয় প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়াও কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে গত ১৮ জানয়ারি বগুড়া-১ আসন আর যশোর-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে ২১ জানুয়ারি।

সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে ১৬ এপ্রিল আর যশোহর-৬ আসনে ১৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর