০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা বেশি প্রয়োজন’

খুব খারাপ সময় যাচ্ছে পৃথিবীর। বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া একই সাথে সব মানুষ আর কখনো আতঙ্কে পড়েনি। বিশ্বযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু সেই সময়টা এখন ফিল করতে পারছি। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে আমার ছেলে থাকে। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। কেউ যাতে বাইরে বের না হয় সে ব্যাপারে প্রশাসন নজরদারি করছে।

প্রায় কাছাকাছি সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ার মতো পরিস্থিতি আমাদের দেশের শিবচর উপজেলায়। এটি আবার আমার শ্বশুরবাড়ি। সেখানে স্ত্রীর কিছু আত্মীয় বসবাস করে। তারাও বাড়ি থেকে কেউ বের হচ্ছে না। সবার মাঝেই আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তবে এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা বেশি প্রয়োজন।

ঢাকা শহরে লকডাউন ঘোষিত হয়নি। কিন্তু আজ সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। ধানমন্ডি এলাকা অনেকটাই নীরব হয়ে গেছে। রিকশাওয়ালারা বলছে, তারা যাত্রী না পেয়ে বিপদে আছে। ইনকাম কমে গেছে। ফল কিনতে গিয়েছিলাম। সেখানে বিক্রেতা জানালো, ফল আনার ক্ষেত্রেও ঝামেলা তৈরি হয়েছে। আবার বিক্রিও অনেক কমে গেছে। যতোটা খবর দেখছি, মুদী দোকানে চিত্র ভিন্ন। সবাই চাল-ডাল-আটার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাসায় মজুদ করছে। এই কারণে দাম বেড়ে যাচ্ছে। তাই অতিরিক্ত মজুদ করার মানসিকতা পরিত্যাগ করতে হবে।

তবে করোনাভাইরাস বিস্তাররোধে বাসা থেকে কম বের হওয়াই ভালো বিষয়। যদি কাজকর্ম বাসা থেকে করা যায়, তাহলে অফিস এড়িয়ে চলতে পারাটাও সবার জন্য উপকারে আসবে। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকি তাহলে করোনাভাইরাস পরাজিত করে আমরা স্বাভাবিক জীবনে অবশ্যই ফিরে আসতে পারবো। তার জন্য এই সময়টাতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন- এই প্রার্থনাই করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন পরবর্তী ধানের শীষের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

‘এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা বেশি প্রয়োজন’

প্রকাশিত : ০৩:০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

খুব খারাপ সময় যাচ্ছে পৃথিবীর। বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া একই সাথে সব মানুষ আর কখনো আতঙ্কে পড়েনি। বিশ্বযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু সেই সময়টা এখন ফিল করতে পারছি। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে আমার ছেলে থাকে। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। কেউ যাতে বাইরে বের না হয় সে ব্যাপারে প্রশাসন নজরদারি করছে।

প্রায় কাছাকাছি সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ার মতো পরিস্থিতি আমাদের দেশের শিবচর উপজেলায়। এটি আবার আমার শ্বশুরবাড়ি। সেখানে স্ত্রীর কিছু আত্মীয় বসবাস করে। তারাও বাড়ি থেকে কেউ বের হচ্ছে না। সবার মাঝেই আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তবে এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা বেশি প্রয়োজন।

ঢাকা শহরে লকডাউন ঘোষিত হয়নি। কিন্তু আজ সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। ধানমন্ডি এলাকা অনেকটাই নীরব হয়ে গেছে। রিকশাওয়ালারা বলছে, তারা যাত্রী না পেয়ে বিপদে আছে। ইনকাম কমে গেছে। ফল কিনতে গিয়েছিলাম। সেখানে বিক্রেতা জানালো, ফল আনার ক্ষেত্রেও ঝামেলা তৈরি হয়েছে। আবার বিক্রিও অনেক কমে গেছে। যতোটা খবর দেখছি, মুদী দোকানে চিত্র ভিন্ন। সবাই চাল-ডাল-আটার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাসায় মজুদ করছে। এই কারণে দাম বেড়ে যাচ্ছে। তাই অতিরিক্ত মজুদ করার মানসিকতা পরিত্যাগ করতে হবে।

তবে করোনাভাইরাস বিস্তাররোধে বাসা থেকে কম বের হওয়াই ভালো বিষয়। যদি কাজকর্ম বাসা থেকে করা যায়, তাহলে অফিস এড়িয়ে চলতে পারাটাও সবার জন্য উপকারে আসবে। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকি তাহলে করোনাভাইরাস পরাজিত করে আমরা স্বাভাবিক জীবনে অবশ্যই ফিরে আসতে পারবো। তার জন্য এই সময়টাতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন- এই প্রার্থনাই করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী