০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্যকর্মী-রোগীর জন্য হোটেল রিকুইজিশনে ডিসিদের নির্দেশ

 

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে এ রোগে আক্রান্তদের জন্য আলাদা কেন্দ্র এবং চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভবন ও যানবাহন রিকুইজিশনে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ রোববার (১৯ এপ্রিল) সব জেলা প্রশাসককে ‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আবাসনের ব্যবস্থাসহ চিকিৎসা বিষয়ক সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত জরুরি একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দেশে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ও নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং করা হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল বা কেন্দ্র, চিকিৎসক-নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবহনের জন্য যানবাহন, রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক-নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পিপিই, ওষুধ ও ভেন্টিলেটর, মরদেহ পরিবহনের জন্য ব্যাগ প্রভৃতি প্রস্তুত রাখা জরুরি।’

আর এ বিষয়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে আলোচনাক্রমে সিভিল সার্জন যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।

চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা তথা সঙ্গনিরোধ নিশ্চিতকরণের অনিবার্য প্রয়োজনে পারিবারিক সদস্যদের সঙ্গে নিজ বাসস্থানে অবস্থান করে চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত থাকা সমীচীন হবে না’ বিধায় তাদের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভিন্ন কোনো স্থানে অবস্থানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তাদের আবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযোগী ভবন/আবাসিক কেন্দ্র/হোটেল ইত্যাদি রিকুইজিশন করা আবশ্যক হতে পারে।

ডিসিদের বলা হয়, করোনাক্রাদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল ভবন/কেন্দ্র, চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবহনের জন্য যানবাহন, রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পিপিই, ওষুধ, ভেন্টিলেটর, মরদেহ পরিবহনের জন্য ব্যাগ প্রভৃতি প্রস্তুত রাখা এবং করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আবাসনের জন্য প্রয়োজন অনুসারে ভবন/আবাসিক কেন্দ্র/হোটেল ইত্যাদি রিকুইজিশনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

রিকুইজিশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিষয়:
জেলা প্রশাসকরা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গঠিত কমিটির সঙ্গে আলাচনাক্রমে প্রয়োজন ও উপযোগিতার বিচেনায় হোটেল/ভবনের সংখ্যা নির্ধারণ এবং করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল ভবন/কেন্দ্র, পরিবহনের জন্য যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা নেবেন।

‘রিকুইজিশন করা হোটেল/ভবনের রিকুইজিশনকালীন ইউটিলিটি বিলগুলোর সরকার পরিশোধ করা হবে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে খাওয়া বাবদ খরচ সরকার বহন করবে। হোটেল/ভবন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহায়ক জনবল ও অন্যান্য সার্বিক সহযোগিতা দেবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ নির্ধারিত হারে ইউটিলিটি, খাবার বিল পরিশোধ করা হবে।’

রিকুইজিশন সংক্রান্ত তথ্যাদি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মমচিব তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে মোবাইল: ০১৭১১১৯৬৭৪১, ই-মেইল: per@hsd.gov.bd) জানাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

স্বাস্থ্যকর্মী-রোগীর জন্য হোটেল রিকুইজিশনে ডিসিদের নির্দেশ

প্রকাশিত : ০৩:১৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২০

 

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে এ রোগে আক্রান্তদের জন্য আলাদা কেন্দ্র এবং চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভবন ও যানবাহন রিকুইজিশনে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ রোববার (১৯ এপ্রিল) সব জেলা প্রশাসককে ‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আবাসনের ব্যবস্থাসহ চিকিৎসা বিষয়ক সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত জরুরি একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দেশে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ও নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং করা হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল বা কেন্দ্র, চিকিৎসক-নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবহনের জন্য যানবাহন, রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক-নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পিপিই, ওষুধ ও ভেন্টিলেটর, মরদেহ পরিবহনের জন্য ব্যাগ প্রভৃতি প্রস্তুত রাখা জরুরি।’

আর এ বিষয়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে আলোচনাক্রমে সিভিল সার্জন যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।

চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা তথা সঙ্গনিরোধ নিশ্চিতকরণের অনিবার্য প্রয়োজনে পারিবারিক সদস্যদের সঙ্গে নিজ বাসস্থানে অবস্থান করে চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত থাকা সমীচীন হবে না’ বিধায় তাদের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভিন্ন কোনো স্থানে অবস্থানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তাদের আবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযোগী ভবন/আবাসিক কেন্দ্র/হোটেল ইত্যাদি রিকুইজিশন করা আবশ্যক হতে পারে।

ডিসিদের বলা হয়, করোনাক্রাদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল ভবন/কেন্দ্র, চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবহনের জন্য যানবাহন, রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পিপিই, ওষুধ, ভেন্টিলেটর, মরদেহ পরিবহনের জন্য ব্যাগ প্রভৃতি প্রস্তুত রাখা এবং করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আবাসনের জন্য প্রয়োজন অনুসারে ভবন/আবাসিক কেন্দ্র/হোটেল ইত্যাদি রিকুইজিশনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

রিকুইজিশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিষয়:
জেলা প্রশাসকরা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গঠিত কমিটির সঙ্গে আলাচনাক্রমে প্রয়োজন ও উপযোগিতার বিচেনায় হোটেল/ভবনের সংখ্যা নির্ধারণ এবং করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য পৃথক হাসপাতাল ভবন/কেন্দ্র, পরিবহনের জন্য যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা নেবেন।

‘রিকুইজিশন করা হোটেল/ভবনের রিকুইজিশনকালীন ইউটিলিটি বিলগুলোর সরকার পরিশোধ করা হবে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে খাওয়া বাবদ খরচ সরকার বহন করবে। হোটেল/ভবন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহায়ক জনবল ও অন্যান্য সার্বিক সহযোগিতা দেবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ নির্ধারিত হারে ইউটিলিটি, খাবার বিল পরিশোধ করা হবে।’

রিকুইজিশন সংক্রান্ত তথ্যাদি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মমচিব তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে মোবাইল: ০১৭১১১৯৬৭৪১, ই-মেইল: per@hsd.gov.bd) জানাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ