০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে রাতের আধাঁরে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দিচ্ছে র‌্যাব ১১

সমাজের অপরাধ প্রবণতা দূর করতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালনকারী র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন অর্থাৎ র‌্যাব এখন আর্ত মানবতার সেবায় কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জে লকডাউনে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখা ও ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে র‌্যাব-১১ সদস্যরা। অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিরোধে দিনের বেলায় কঠোর অবস্থানে থাকা র‌্যাব সদস্যরাই আবার রাতের বেলায় ত্রাণ নিয়ে হাজির হচ্ছেন অসহায় মানুষের দরজায় দরজায়। র‌্যাবের কল্যাণে খাবার পাচ্ছে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও। র‌্যাব-১১’র সদস্যরা খোঁজ খবর নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় হাত পাততে না পারা মানুষের মধ্যেও ত্রাণ দিচ্ছেন। লকডাউন পরিস্থিতিতে র‌্যাবের ভূমিকা নারায়ণগঞ্জের বোদ্ধামহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আলেপ উদ্দিন, পিপিএম (বার) এর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লা থানার বিভিন্ন এলাকায় ৪‘শ পবিারের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছে দেয় র‌্যাব সদস্যরা। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে মানুষ যখন ঘরবন্দি, তখন কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে যাচ্ছে র‌্যাব।
ফতুল্লার দেলপাড়া, আদর্শনগর, শহরের কলেজ রোড এবং সদরের বাদামতলী এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে এ ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয় র‌্যাব সদস্যরা।

র‌্যাবের ত্রাণ পেয়ে ওইসব এলাকার কয়েকজন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ জানান, আমরা খুব খুশি। এটা আল্লাহর রহমত। আমরা কারো কাছে যেতে পারিনা। এলাকার নেতারাও খোঁজখবর নেয়না। সবাই ত্রাণ দেয় দরিদ্র মানুষকে। দেখা যাচ্ছে একটি দরিদ্র পরিবারের সকল সদস্য বার বার ত্রাণ পাচ্ছে। অথচ পাশেই কয়েকটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে খাবার নেই। তাদেরকে কেহ জিজ্ঞাসাও করেনা। এক্ষেত্রে র‌্যাব-১১’র সদস্যরা ভাল কাজ করেছে। তাঁরা সকলের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়ে গেছে। র‌্যাব সদস্যরা রাতের বেলায় এসে ত্রাণ দিয়ে গেছে। আমরাতো কারো কাছে চাইতে পারিনা।

র‌্যাব-১১’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো: আলেপউদ্দিন বলেন, র‌্যাব মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকা আমাদের কর্তব্য। তাই ঝুঁকি জেনেও আমরা পিছ পা হচ্ছিনা। আমাদের প্রত্যেক সদস্য অসহায় মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা সকলেই ঘরে থাকুন। নিজে নিরাপদে থাকুন এবং অপরকে নিরাপদ থাকতে সহযোগিতা করুন। আপনারা কেউ না খেয়ে থাকবেন না। সবাই সরকারি নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকুন। আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে আমরা আছি।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

নারায়ণগঞ্জে রাতের আধাঁরে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দিচ্ছে র‌্যাব ১১

প্রকাশিত : ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

সমাজের অপরাধ প্রবণতা দূর করতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালনকারী র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন অর্থাৎ র‌্যাব এখন আর্ত মানবতার সেবায় কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জে লকডাউনে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখা ও ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে র‌্যাব-১১ সদস্যরা। অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিরোধে দিনের বেলায় কঠোর অবস্থানে থাকা র‌্যাব সদস্যরাই আবার রাতের বেলায় ত্রাণ নিয়ে হাজির হচ্ছেন অসহায় মানুষের দরজায় দরজায়। র‌্যাবের কল্যাণে খাবার পাচ্ছে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও। র‌্যাব-১১’র সদস্যরা খোঁজ খবর নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় হাত পাততে না পারা মানুষের মধ্যেও ত্রাণ দিচ্ছেন। লকডাউন পরিস্থিতিতে র‌্যাবের ভূমিকা নারায়ণগঞ্জের বোদ্ধামহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আলেপ উদ্দিন, পিপিএম (বার) এর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লা থানার বিভিন্ন এলাকায় ৪‘শ পবিারের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছে দেয় র‌্যাব সদস্যরা। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে মানুষ যখন ঘরবন্দি, তখন কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে যাচ্ছে র‌্যাব।
ফতুল্লার দেলপাড়া, আদর্শনগর, শহরের কলেজ রোড এবং সদরের বাদামতলী এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে এ ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয় র‌্যাব সদস্যরা।

র‌্যাবের ত্রাণ পেয়ে ওইসব এলাকার কয়েকজন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ জানান, আমরা খুব খুশি। এটা আল্লাহর রহমত। আমরা কারো কাছে যেতে পারিনা। এলাকার নেতারাও খোঁজখবর নেয়না। সবাই ত্রাণ দেয় দরিদ্র মানুষকে। দেখা যাচ্ছে একটি দরিদ্র পরিবারের সকল সদস্য বার বার ত্রাণ পাচ্ছে। অথচ পাশেই কয়েকটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে খাবার নেই। তাদেরকে কেহ জিজ্ঞাসাও করেনা। এক্ষেত্রে র‌্যাব-১১’র সদস্যরা ভাল কাজ করেছে। তাঁরা সকলের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়ে গেছে। র‌্যাব সদস্যরা রাতের বেলায় এসে ত্রাণ দিয়ে গেছে। আমরাতো কারো কাছে চাইতে পারিনা।

র‌্যাব-১১’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো: আলেপউদ্দিন বলেন, র‌্যাব মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকা আমাদের কর্তব্য। তাই ঝুঁকি জেনেও আমরা পিছ পা হচ্ছিনা। আমাদের প্রত্যেক সদস্য অসহায় মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা সকলেই ঘরে থাকুন। নিজে নিরাপদে থাকুন এবং অপরকে নিরাপদ থাকতে সহযোগিতা করুন। আপনারা কেউ না খেয়ে থাকবেন না। সবাই সরকারি নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকুন। আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে আমরা আছি।