০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহে চিকিৎসক হত্যার অভিযোগ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক ও স্থানীয় নিরাময় ক্লিনিকের মালিক বিপ্লব সরকারের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক চিকিৎসককে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় মুক্তাগাছা থানায়  শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে ক্লিনিকের মালিক ও উপজেলা তাঁতীলীগের নেতা বিপ্লব সরকারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।পুলিশ ক্লিনিকটিকে সিলগালা করে দিয়েছে।

নিহত চিকিৎসকের বাড়ি উপজেলার তারাটির এরাইজতলা গ্রামে। তিনি ঐ ক্লিনিকের নিয়মিত চিকিৎসক ছিলেন। সম্প্রতি ওই চিকিৎসক নিজেই নতুন ক্লিনিক দিতে চাইলে সেই থেকে দ্বন্দ্বে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

নিহত চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী সালমা মোস্তাফিজ বলেন, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহরের পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকার নিরাময় ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে নিয়মিত মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো ডা. মোস্তাফিজুর রহমান। সে ওই ক্লিনিকে থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে জুনায়েদ ডায়াগনোস্টিক নামে একটি ক্লিনিক খোলার প্রস্তুতি নেয়। এর পর থেকেই নিরাময় ক্লিনিকের মালিক ও উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক বিপ্লব সরকারের সাথে মনোমালিন্য হয়ে আসছিল। ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের ক্রয়কৃত ক্লিনিকের সকল মালামাল নেওয়ারও নানা ফন্দি আঁটে বিপ্লব সরকার। এ ধরণের ঘটনার পর থেকে ডা.মোস্তাফিজুর রহমার ওই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে কৌশলে ওই ক্লিনিকের তৃপ্তি নামে এক নার্স দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে ডেকে নেওয়া হয় নিরাময় ক্লিনিকে। ওইদিন রাতে বাড়ি না ফেরায় মোস্তাফিজের স্ত্রী সালমা মোস্তাফিজ তার মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দেওয়ার পর ক্লিনিকের মলিক বিপ্লব সরকার ফোন রিসিভ করে তাকে জানায় মোস্তাফিজ রোগী  নিয়ে ব্যস্ত। ওই রাতে মোবাইল ফোনে তাকে আর পায়নি তার স্ত্রী। পরের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি প্রাইভেটকার করে তাকে বাড়ি পৌছে দেয় ক্লিনিক মালিক বিপ্লব সরকার। এর পর থেকেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওইদিনই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতে সে মারা যায়।

স্ত্রী সালমা আরও বলেন, তার স্বামীকে কৌশলে খাদ্যের সাথে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার মুখে বিষের আলামতও পেয়েছে। তার অপরাধ ছিল সে ক্লিনিক খোলার প্রস্তুতি নেওয়া।

এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক বিপ্লব সরকার, আল্টাসনোলিস্ট ডা. মাজহারুল ইসলাম মাসুম ও নার্স সুমি আক্তারকে আসামী করে মুক্তাগাছা থানায় শনিবার রাতে হত্যা মামলা হয়েছে। এদিকে ঐ ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবার আড়ালে নারী ঘটিত বিভিন্ন কর্মকান্ডসহ নানা অসামাজিক কাজকর্ম চলতো বলে স্থানীয়দের অনেকেই অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও বিএনপি দলীয় নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্লিনিক মালিক বিপ্লব সরকার আগে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। কিছুদিন আগে ক্ষতাসীন দলের একটি অংশের হাত ধরে তিনি বিএনপি ছেড়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং তাঁতী লীগের নেতা হন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিকসহ তিনজনের নামে মামলা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

Md. Kamruzzaman Minto

AttachmentsMon, Apr 20, 7:42 PM (1 day ago)

to me
২০.০৪.২০২০
দৃষ্টি আকর্ষণ: ই-মেইলে ছবি দেয়া আছে।
মুক্তাগাছায় করোনায় আক্রান্ত নার্স, আতঙ্কে সহকর্মীরা
কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরোঃ
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সের এক নার্স করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে সহকর্মীরা। সহকর্মীরা হোম কোয়ারেন্টাইনের আবেদন করলেও তাদের দাবি আমলে নিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্স বলেন, হাসপাতালে কর্মরত একজন সিনিয়র নার্স জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার পর ৫ দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। ওই নার্সের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে রবিবার (১৯ এপ্রিল) নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে। বর্তমানে তিনি সুর্যকান্ত (এসকে) হাসপাতালের আইসোলেশনে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ওই নার্স করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর আমরা কয়েকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ  আমাদের হোম কোয়ারেন্টাইনের দাবি আমলে না নিয়ে নিয়মিত ডিউটি করার কথা বলেছেন। এ অবস্থায় আমরা খুবই আতঙ্কে আছি।
মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, হাসপাতালে কর্মরত সবাইকে যদি হোম কোযারেন্টাইনে রাখি, তাহলে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হবে। আগামীকাল থেকে হাসপাতালে কর্মরত সকল স্টাফদের তিনটি টিমে ভাগ করে ডিউটি করানো হবে। প্রতি টিম ১০ দিন করে ডিউটি করবে। ১০ দিন ডিউটি শেষে ওই টিমের সবাইকে ১৪ দিনের হোম কোযারেন্টাইনে রাখা হবে।
তবে, যারা ওই নার্সের সংস্পর্শে  এসেছে তাদের হোম কোয়ারেন্টানে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আলচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন এবিএম মসিউর আলম বলেন, যারা করোনা আক্রান্ত ওই নার্সের সংস্পর্শে এসেছে তাদের হোম কোয়ারেন্টানে রাখা হবে। তাছাড়া হাসপাতালে কর্মরত সকলকেই করোনা পরীক্ষা করা হবেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে মুক্তাগাছা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এক সদস্য ও হাসপাতালের নার্সসহ মোট তিন জন করোনায় আক্রান্ত হন।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

ময়মনসিংহে চিকিৎসক হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত : ১০:২২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক ও স্থানীয় নিরাময় ক্লিনিকের মালিক বিপ্লব সরকারের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক চিকিৎসককে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় মুক্তাগাছা থানায়  শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে ক্লিনিকের মালিক ও উপজেলা তাঁতীলীগের নেতা বিপ্লব সরকারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।পুলিশ ক্লিনিকটিকে সিলগালা করে দিয়েছে।

নিহত চিকিৎসকের বাড়ি উপজেলার তারাটির এরাইজতলা গ্রামে। তিনি ঐ ক্লিনিকের নিয়মিত চিকিৎসক ছিলেন। সম্প্রতি ওই চিকিৎসক নিজেই নতুন ক্লিনিক দিতে চাইলে সেই থেকে দ্বন্দ্বে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

নিহত চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী সালমা মোস্তাফিজ বলেন, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহরের পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকার নিরাময় ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে নিয়মিত মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো ডা. মোস্তাফিজুর রহমান। সে ওই ক্লিনিকে থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে জুনায়েদ ডায়াগনোস্টিক নামে একটি ক্লিনিক খোলার প্রস্তুতি নেয়। এর পর থেকেই নিরাময় ক্লিনিকের মালিক ও উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক বিপ্লব সরকারের সাথে মনোমালিন্য হয়ে আসছিল। ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের ক্রয়কৃত ক্লিনিকের সকল মালামাল নেওয়ারও নানা ফন্দি আঁটে বিপ্লব সরকার। এ ধরণের ঘটনার পর থেকে ডা.মোস্তাফিজুর রহমার ওই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে কৌশলে ওই ক্লিনিকের তৃপ্তি নামে এক নার্স দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে ডেকে নেওয়া হয় নিরাময় ক্লিনিকে। ওইদিন রাতে বাড়ি না ফেরায় মোস্তাফিজের স্ত্রী সালমা মোস্তাফিজ তার মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দেওয়ার পর ক্লিনিকের মলিক বিপ্লব সরকার ফোন রিসিভ করে তাকে জানায় মোস্তাফিজ রোগী  নিয়ে ব্যস্ত। ওই রাতে মোবাইল ফোনে তাকে আর পায়নি তার স্ত্রী। পরের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি প্রাইভেটকার করে তাকে বাড়ি পৌছে দেয় ক্লিনিক মালিক বিপ্লব সরকার। এর পর থেকেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওইদিনই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতে সে মারা যায়।

স্ত্রী সালমা আরও বলেন, তার স্বামীকে কৌশলে খাদ্যের সাথে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার মুখে বিষের আলামতও পেয়েছে। তার অপরাধ ছিল সে ক্লিনিক খোলার প্রস্তুতি নেওয়া।

এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক বিপ্লব সরকার, আল্টাসনোলিস্ট ডা. মাজহারুল ইসলাম মাসুম ও নার্স সুমি আক্তারকে আসামী করে মুক্তাগাছা থানায় শনিবার রাতে হত্যা মামলা হয়েছে। এদিকে ঐ ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবার আড়ালে নারী ঘটিত বিভিন্ন কর্মকান্ডসহ নানা অসামাজিক কাজকর্ম চলতো বলে স্থানীয়দের অনেকেই অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও বিএনপি দলীয় নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্লিনিক মালিক বিপ্লব সরকার আগে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। কিছুদিন আগে ক্ষতাসীন দলের একটি অংশের হাত ধরে তিনি বিএনপি ছেড়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং তাঁতী লীগের নেতা হন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিকসহ তিনজনের নামে মামলা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

Md. Kamruzzaman Minto

AttachmentsMon, Apr 20, 7:42 PM (1 day ago)

to me
২০.০৪.২০২০
দৃষ্টি আকর্ষণ: ই-মেইলে ছবি দেয়া আছে।
মুক্তাগাছায় করোনায় আক্রান্ত নার্স, আতঙ্কে সহকর্মীরা
কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরোঃ
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সের এক নার্স করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে সহকর্মীরা। সহকর্মীরা হোম কোয়ারেন্টাইনের আবেদন করলেও তাদের দাবি আমলে নিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্স বলেন, হাসপাতালে কর্মরত একজন সিনিয়র নার্স জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার পর ৫ দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। ওই নার্সের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে রবিবার (১৯ এপ্রিল) নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে। বর্তমানে তিনি সুর্যকান্ত (এসকে) হাসপাতালের আইসোলেশনে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ওই নার্স করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর আমরা কয়েকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ  আমাদের হোম কোয়ারেন্টাইনের দাবি আমলে না নিয়ে নিয়মিত ডিউটি করার কথা বলেছেন। এ অবস্থায় আমরা খুবই আতঙ্কে আছি।
মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, হাসপাতালে কর্মরত সবাইকে যদি হোম কোযারেন্টাইনে রাখি, তাহলে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হবে। আগামীকাল থেকে হাসপাতালে কর্মরত সকল স্টাফদের তিনটি টিমে ভাগ করে ডিউটি করানো হবে। প্রতি টিম ১০ দিন করে ডিউটি করবে। ১০ দিন ডিউটি শেষে ওই টিমের সবাইকে ১৪ দিনের হোম কোযারেন্টাইনে রাখা হবে।
তবে, যারা ওই নার্সের সংস্পর্শে  এসেছে তাদের হোম কোয়ারেন্টানে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আলচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন এবিএম মসিউর আলম বলেন, যারা করোনা আক্রান্ত ওই নার্সের সংস্পর্শে এসেছে তাদের হোম কোয়ারেন্টানে রাখা হবে। তাছাড়া হাসপাতালে কর্মরত সকলকেই করোনা পরীক্ষা করা হবেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে মুক্তাগাছা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এক সদস্য ও হাসপাতালের নার্সসহ মোট তিন জন করোনায় আক্রান্ত হন।