০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডামুড্যায় মসজিদের মাইকে ডাকাতির গুজব প্রচার, নির্ঘুম এলাকাবাসি

মাইকে ডাকাতির গুজব প্রচার, নির্ঘুম  ডামুড্যা  উপজেলার হাজারও  গ্রামবাসি। জানাগেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাত থেকে শরীয়তপুরের ডামুড্যা  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মসজিদের মাইকে “এলাকায় ডাকাত ঢুকে পড়েছে” এমন মাইকিংএ এলাকাবাসীর ঘুম ভেঙ্গে যায়। রাত তখন প্রায় ১ থেকে ১.৩০ মিনিট। হঠাৎ মাইকের আওয়াজ শুনে এলাকাবাসীর ঘুম ভেঙ্গে যায়। এ সময়  উপজেলার ডামুড্যা পৌরসভা, দারুল আমান,পূ্র্ব ডামুড্যা, কনেশ্বর, ইসলামপুর,ধানকাঠি, শিধলকুড়া ও সিড্যা ইউনিয়ন সহ আস পাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কোন এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে, এমন সঠিক কোনো তথ্য না জানতে পারলেও, এলাকাবাসী ডাকাত মোকাবেলায় যার যার অবস্থান থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে থাকে। এ সময় এলাকাবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র লাঠি-সোঠা, দা-কুড়াল, টেটাসহ ডাকাত মোকাবেলায় প্রস্তুত হয়ে থাকে।
কেউ কেউ বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করলে, তাৎক্ষণিক ভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ প্রশাসন মাঠে নেমে পড়ে এবং সন্দেহভাজন প্রতিটি এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়। তবে কোথায় বা কোন এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে বা প্রথম কোন স্থান থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে, খোজ নিয়ে তার সঠিক কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মাইকিং করা কয়েকজন মসজিদের ইমামদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পাশের মসজিদে মাইকিং শুনে তাৎক্ষণিক কিছু না বুঝে, আমরাও একই মাইকিং শুরু করি। আমাদের মাইকিং শুনে অন্য মসজিদে ও মাইকিং শুরু হয়। মূলত এভাবেই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।
অ-সমর্থিত সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদরের কালিকাপুর ইউনিয়ন, চরনাচনা এলাকা, পাচখোলা ইউনিয়ন, টেকের হাটের কুনিয়া এলাকা বা এর আশ পাশে কোথাও ডাকাত ঢুকেছে এবং ডাকাত ধরা হয়েছে। তবে এসব এলাকার সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিছক গুজব বলে অভিমত প্রকাশ করেন। ডাকাত বা ডাকাতির কোন ঘটনার অস্তিত্ব তারা পায়নি।
পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বাসি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন ও ওচমান গনি বলেন মাইকে এলাকায় ডাকাত পরছে এ কথা শুনে আমরা ২০/২৫ জন মিলে রাস্থায় বের হয়ে ডাকাত খুজতে খুজতে রাত কাটাই কিন্তুু কোথাও ডাকাত আর পাইনি।
ডামুড্যা  থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদি হাসান, পিপিএম বলেন, গভীর রাতে জনসাধারণের শোরগোলসহ মসজিদের মাইকিংএ জানতে পারি এলাকায় ডাকাত পড়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় টহল দেয়া হয়েছে, কিন্তু কোথাও কোনো ডাকাতির সন্ধান পায়নি। কোথাও ডাকাতি হয়েছে কেউ এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে দেয়নি। বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। কেউ আতঙ্কিত হবেন না। প্রশাসন সকল সময় তৎপর আছে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

ডামুড্যায় মসজিদের মাইকে ডাকাতির গুজব প্রচার, নির্ঘুম এলাকাবাসি

প্রকাশিত : ০৭:৫৫:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
মাইকে ডাকাতির গুজব প্রচার, নির্ঘুম  ডামুড্যা  উপজেলার হাজারও  গ্রামবাসি। জানাগেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাত থেকে শরীয়তপুরের ডামুড্যা  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মসজিদের মাইকে “এলাকায় ডাকাত ঢুকে পড়েছে” এমন মাইকিংএ এলাকাবাসীর ঘুম ভেঙ্গে যায়। রাত তখন প্রায় ১ থেকে ১.৩০ মিনিট। হঠাৎ মাইকের আওয়াজ শুনে এলাকাবাসীর ঘুম ভেঙ্গে যায়। এ সময়  উপজেলার ডামুড্যা পৌরসভা, দারুল আমান,পূ্র্ব ডামুড্যা, কনেশ্বর, ইসলামপুর,ধানকাঠি, শিধলকুড়া ও সিড্যা ইউনিয়ন সহ আস পাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কোন এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে, এমন সঠিক কোনো তথ্য না জানতে পারলেও, এলাকাবাসী ডাকাত মোকাবেলায় যার যার অবস্থান থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে থাকে। এ সময় এলাকাবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র লাঠি-সোঠা, দা-কুড়াল, টেটাসহ ডাকাত মোকাবেলায় প্রস্তুত হয়ে থাকে।
কেউ কেউ বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করলে, তাৎক্ষণিক ভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ প্রশাসন মাঠে নেমে পড়ে এবং সন্দেহভাজন প্রতিটি এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়। তবে কোথায় বা কোন এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে বা প্রথম কোন স্থান থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে, খোজ নিয়ে তার সঠিক কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মাইকিং করা কয়েকজন মসজিদের ইমামদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পাশের মসজিদে মাইকিং শুনে তাৎক্ষণিক কিছু না বুঝে, আমরাও একই মাইকিং শুরু করি। আমাদের মাইকিং শুনে অন্য মসজিদে ও মাইকিং শুরু হয়। মূলত এভাবেই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।
অ-সমর্থিত সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদরের কালিকাপুর ইউনিয়ন, চরনাচনা এলাকা, পাচখোলা ইউনিয়ন, টেকের হাটের কুনিয়া এলাকা বা এর আশ পাশে কোথাও ডাকাত ঢুকেছে এবং ডাকাত ধরা হয়েছে। তবে এসব এলাকার সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিছক গুজব বলে অভিমত প্রকাশ করেন। ডাকাত বা ডাকাতির কোন ঘটনার অস্তিত্ব তারা পায়নি।
পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বাসি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন ও ওচমান গনি বলেন মাইকে এলাকায় ডাকাত পরছে এ কথা শুনে আমরা ২০/২৫ জন মিলে রাস্থায় বের হয়ে ডাকাত খুজতে খুজতে রাত কাটাই কিন্তুু কোথাও ডাকাত আর পাইনি।
ডামুড্যা  থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদি হাসান, পিপিএম বলেন, গভীর রাতে জনসাধারণের শোরগোলসহ মসজিদের মাইকিংএ জানতে পারি এলাকায় ডাকাত পড়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় টহল দেয়া হয়েছে, কিন্তু কোথাও কোনো ডাকাতির সন্ধান পায়নি। কোথাও ডাকাতি হয়েছে কেউ এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে দেয়নি। বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। কেউ আতঙ্কিত হবেন না। প্রশাসন সকল সময় তৎপর আছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান