০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কালিহাতীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে অর্ধ শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট বিধ্বস্ত হয়েছে। উপজেলার ইছাপুর গ্রামে বুধবার বিকেল ৪ টার দিকে ৩ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে বাড়ি-ঘর ছাড়াও প্রায় ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। এসময় গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ঝড়ের সময় ঘরে অবস্থানরত ১০-১২ জন আহত হন। ঝরের পূর্বে শিলাবৃষ্টির কারণে পাকা ও অর্ধপাকা ধান আঁছড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে প্রায় শতাধিক বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
ইছাপুরের উত্তরপাড়া থেকে শুরু করে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে এ ঝড়ের প্রভাবে বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট বিধ্বস্ত হয়ে যায়। গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়ায় এলেঙ্গা-ময়মনসিংহ সড়কের ইছাপুর এলাকায় রাস্তা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাস্তায় ভেঙ্গে পড়া খুঁটি ও তার সরিয়ে ফেললে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রাথমিকভাবে ঝড়ের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ঝড়ে ৪০-৫০টি ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে।
কালিহাতী উপজেলা কৃষি কমকর্তা মো: সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার বলেন, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ইছাপুর, নারান্দিয়া, নরদহি, সল্লা ও দূর্গাপুর এলাকায় ব্রী ধান ২৮ ও ব্রী ধান ৮৬ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারিনি। আগামীকাল (২৩ এপ্রিল) সরেজমিনে পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এবিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা নিপা বলেন, হঠাৎ ঝড়ে বেশকিছু বাড়িঘর, দোকানপাট ও ফসলী জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া গেছে। আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

কালিহাতীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে অর্ধ শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৮:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট বিধ্বস্ত হয়েছে। উপজেলার ইছাপুর গ্রামে বুধবার বিকেল ৪ টার দিকে ৩ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে বাড়ি-ঘর ছাড়াও প্রায় ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। এসময় গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ঝড়ের সময় ঘরে অবস্থানরত ১০-১২ জন আহত হন। ঝরের পূর্বে শিলাবৃষ্টির কারণে পাকা ও অর্ধপাকা ধান আঁছড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে প্রায় শতাধিক বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
ইছাপুরের উত্তরপাড়া থেকে শুরু করে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে এ ঝড়ের প্রভাবে বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট বিধ্বস্ত হয়ে যায়। গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়ায় এলেঙ্গা-ময়মনসিংহ সড়কের ইছাপুর এলাকায় রাস্তা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাস্তায় ভেঙ্গে পড়া খুঁটি ও তার সরিয়ে ফেললে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রাথমিকভাবে ঝড়ের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ঝড়ে ৪০-৫০টি ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে।
কালিহাতী উপজেলা কৃষি কমকর্তা মো: সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার বলেন, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ইছাপুর, নারান্দিয়া, নরদহি, সল্লা ও দূর্গাপুর এলাকায় ব্রী ধান ২৮ ও ব্রী ধান ৮৬ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারিনি। আগামীকাল (২৩ এপ্রিল) সরেজমিনে পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এবিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা নিপা বলেন, হঠাৎ ঝড়ে বেশকিছু বাড়িঘর, দোকানপাট ও ফসলী জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া গেছে। আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান