১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ঝুঁকির মধ্যেই খুললো পোশাক কারখানা

 

দেশে করোনাভাইরাসের উদ্বেগের মধ্যেই সীমিত পরিসরে কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের দুই খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিএমইএর সহ সভাপতি ফয়সাল সামাদ। রোববার থেকে ঢাকা ও আশপাশের অন্তত ২০০ কারখানা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা তাড়াহুড়ো করে কোনো কিছু করছি না; সবকিছু আস্তেধীরে করা হচ্ছে। গতকাল আমরা মালিকদের বলে দিয়েছি। দূর দূরান্ত থেকে কোনো শ্রমিক নিয়ে আসা যাবে না। কেবল মাত্র যারা কারখানার আশপাশে রয়েছে তাদেরকে দিয়েই কাজ শুরু করতে হবে। খুবই ছোট পরিসরে, ৩০ শতাংশের বেশি উপস্থিতি করানো যাবে না। অনুপস্থিতির জন্য কারও চাকরিও যাবে না।

নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমরা সদস্যদের বলেছি, উপস্থিতি কম রাখার সুবিধার্থে নিটিং, ডায়িং ও স্যাম্পল সেকশন খোলার জন্য। পুরো গার্মেন্টস আজকে খুলবে না। এর পরে ২ মে থেকে কারখানাগুলো পুরোপুরি খুলবে। নিটিং, ডায়িং ও সেম্পল সেকশনে লোকবল খুব কম থাকে বিধায় ওইভাবে শুরু করতে বলেছি। দূর দূরান্তে অবস্থানকারী শ্রমিকদের এই মুহূর্তে আসতে নিষেধ করেছি আমরা। কতটি কারখানা চালু হয়েছে সেটা আজকের দিন শেষে বলা যাবে।

গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, যেখানে মানুষের জীবনের নিশ্চিয়তা নেই সেখানে কল-কারখানাগুলো চালু থাকে কীভাবে? আমরা এই পরিস্থিতিতে আগামী তিন মাস পোশাক শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বেতনভার বহনের দাবি জানাচ্ছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঝুঁকির মধ্যেই খুললো পোশাক কারখানা

প্রকাশিত : ০৩:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

 

দেশে করোনাভাইরাসের উদ্বেগের মধ্যেই সীমিত পরিসরে কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের দুই খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিএমইএর সহ সভাপতি ফয়সাল সামাদ। রোববার থেকে ঢাকা ও আশপাশের অন্তত ২০০ কারখানা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা তাড়াহুড়ো করে কোনো কিছু করছি না; সবকিছু আস্তেধীরে করা হচ্ছে। গতকাল আমরা মালিকদের বলে দিয়েছি। দূর দূরান্ত থেকে কোনো শ্রমিক নিয়ে আসা যাবে না। কেবল মাত্র যারা কারখানার আশপাশে রয়েছে তাদেরকে দিয়েই কাজ শুরু করতে হবে। খুবই ছোট পরিসরে, ৩০ শতাংশের বেশি উপস্থিতি করানো যাবে না। অনুপস্থিতির জন্য কারও চাকরিও যাবে না।

নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমরা সদস্যদের বলেছি, উপস্থিতি কম রাখার সুবিধার্থে নিটিং, ডায়িং ও স্যাম্পল সেকশন খোলার জন্য। পুরো গার্মেন্টস আজকে খুলবে না। এর পরে ২ মে থেকে কারখানাগুলো পুরোপুরি খুলবে। নিটিং, ডায়িং ও সেম্পল সেকশনে লোকবল খুব কম থাকে বিধায় ওইভাবে শুরু করতে বলেছি। দূর দূরান্তে অবস্থানকারী শ্রমিকদের এই মুহূর্তে আসতে নিষেধ করেছি আমরা। কতটি কারখানা চালু হয়েছে সেটা আজকের দিন শেষে বলা যাবে।

গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, যেখানে মানুষের জীবনের নিশ্চিয়তা নেই সেখানে কল-কারখানাগুলো চালু থাকে কীভাবে? আমরা এই পরিস্থিতিতে আগামী তিন মাস পোশাক শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বেতনভার বহনের দাবি জানাচ্ছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ