১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানে দাফন অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত ৪০

ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে এক পুলিশ কমান্ডারের দাফন অনুষ্ঠানে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো প্রায় অর্ধশত লোক।

মঙ্গলবার (১২ মে) স্থানীয় সময় দুপুরে প্রদেশটির পাকিস্তান সীমান্তবর্তী খেওয়া জেলায় দাফন অনুষ্ঠানটির মাঝামাঝি সময় এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে।

নানগারহারের গভর্নরের মুখপাত্র আতাউল্লাহ খোগিয়ানি জানান, সোমবার হার্ট অ্যাটাকে মারা যান স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা। তারই জানাজা ও দাফনে জড়ো হয়েছিলেন এসব মানুষ।

প্রাদেশিক কাউন্সিলের আরেক কর্মকর্তা সোহরাব কাদেরি বলেন, বোমা বিস্ফোরণে ৪০ জনের মৃত্যু ছাড়াও আরো অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। হযরত আলী নামে এক এমপি হামলায় আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন।

এদিকে কোনো দল বা গোষ্ঠি এখনো এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় তালেবান বা আইএস এই হামলাটি চালিয়েছে।

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চলে তালেবানের পাশাপাশি আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে। আইএস হটাতে বর্তমানে তৎপর রয়েছে তালেবান ও সরকারিসহ বিদেশি বাহিনী। অন্যদিকে আইএস প্রায়ই বোমা হামলা চালাচ্ছে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে। রাজধানী কাবুলে মার্চের শেষদিকে একটি শিখ মন্দিওে বোমা হামলা চালিয়ে ২৫ জনকে হত্যা করে আইএস।

সূত্র: রয়টার্স

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুণীজনের অবমূল্যায়ন ও রাজনীতির সাংস্কৃতিক সংকট

আফগানিস্তানে দাফন অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত ৪০

প্রকাশিত : ০৫:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে এক পুলিশ কমান্ডারের দাফন অনুষ্ঠানে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো প্রায় অর্ধশত লোক।

মঙ্গলবার (১২ মে) স্থানীয় সময় দুপুরে প্রদেশটির পাকিস্তান সীমান্তবর্তী খেওয়া জেলায় দাফন অনুষ্ঠানটির মাঝামাঝি সময় এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে।

নানগারহারের গভর্নরের মুখপাত্র আতাউল্লাহ খোগিয়ানি জানান, সোমবার হার্ট অ্যাটাকে মারা যান স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা। তারই জানাজা ও দাফনে জড়ো হয়েছিলেন এসব মানুষ।

প্রাদেশিক কাউন্সিলের আরেক কর্মকর্তা সোহরাব কাদেরি বলেন, বোমা বিস্ফোরণে ৪০ জনের মৃত্যু ছাড়াও আরো অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। হযরত আলী নামে এক এমপি হামলায় আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন।

এদিকে কোনো দল বা গোষ্ঠি এখনো এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় তালেবান বা আইএস এই হামলাটি চালিয়েছে।

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চলে তালেবানের পাশাপাশি আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে। আইএস হটাতে বর্তমানে তৎপর রয়েছে তালেবান ও সরকারিসহ বিদেশি বাহিনী। অন্যদিকে আইএস প্রায়ই বোমা হামলা চালাচ্ছে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে। রাজধানী কাবুলে মার্চের শেষদিকে একটি শিখ মন্দিওে বোমা হামলা চালিয়ে ২৫ জনকে হত্যা করে আইএস।

সূত্র: রয়টার্স

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর