০৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

ব্যাংক কর্মকর্তাসহ স্ত্রী ও মেয়ের লাশ উদ্ধার

পাবনা জেলা শহরের দিলালপুর মহল্লার একটি বাড়ি থেকে আজ শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে মা–বাবা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দ্বিতল বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে রক্তাক্ত অবস্থায় লাশ তিনটি পড়ে ছিল। পচা দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জব্বার (৬০), তাঁর স্ত্রী ছুম্মা খাতুন (৫০) ও মেয়ে সানজিদা খাতুন (১৩)। সানজিদা পাবনার একটি বেসরকারি স্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। ডাকাত দল বাড়ির মালামাল লুটের জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে।

স্থানীয় লোকজন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, আবদুল জব্বারের গ্রামের বাড়ি জেলার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের পাইকারহাট গ্রামে। তিনি অবসর গ্রহণের পর দোতলা বাড়িটির নিচতলায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। করোনাভাইরাসের আতঙ্কে তাঁরা বাড়ি থেকে তেমন বের হচ্ছিলেন না। বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ির বাইরে তাঁদের খুব কম দেখা গেছে। গত তিন-চার দিন তাঁদের একবারও বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। করোনার সময় ওই বাড়িতে অন্য কোনো পরিবার ছিল না।

এর মধ্যে শুক্রবার সকালে বাড়িটি থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। দুপুরের দিকে দুর্গন্ধ তীব্র হতে শুরু করলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ গিয়ে বাড়ির একটি কক্ষে রক্তাক্ত ও অর্ধগলিত অবস্থায় তিনজনের লাশ পায়। বাড়ির দরজা বাইরে থেকে লাগানো ছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

জনপ্রিয়

বনানীতে সংসদ সদস্য আলী আসগর লবিকে বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাবের সম্মাননা

ব্যাংক কর্মকর্তাসহ স্ত্রী ও মেয়ের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৯:১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

পাবনা জেলা শহরের দিলালপুর মহল্লার একটি বাড়ি থেকে আজ শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে মা–বাবা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দ্বিতল বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে রক্তাক্ত অবস্থায় লাশ তিনটি পড়ে ছিল। পচা দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জব্বার (৬০), তাঁর স্ত্রী ছুম্মা খাতুন (৫০) ও মেয়ে সানজিদা খাতুন (১৩)। সানজিদা পাবনার একটি বেসরকারি স্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। ডাকাত দল বাড়ির মালামাল লুটের জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে।

স্থানীয় লোকজন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, আবদুল জব্বারের গ্রামের বাড়ি জেলার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের পাইকারহাট গ্রামে। তিনি অবসর গ্রহণের পর দোতলা বাড়িটির নিচতলায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। করোনাভাইরাসের আতঙ্কে তাঁরা বাড়ি থেকে তেমন বের হচ্ছিলেন না। বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ির বাইরে তাঁদের খুব কম দেখা গেছে। গত তিন-চার দিন তাঁদের একবারও বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। করোনার সময় ওই বাড়িতে অন্য কোনো পরিবার ছিল না।

এর মধ্যে শুক্রবার সকালে বাড়িটি থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। দুপুরের দিকে দুর্গন্ধ তীব্র হতে শুরু করলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ গিয়ে বাড়ির একটি কক্ষে রক্তাক্ত ও অর্ধগলিত অবস্থায় তিনজনের লাশ পায়। বাড়ির দরজা বাইরে থেকে লাগানো ছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর