১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিজ্ঞাসাবাদে গোপন তথ্য দিলেন সাবরিনা

করোনার নমুনা পরীক্ষায় প্রতারণা মামলায় জেকেজি’র চেয়ারম্যান, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল থেকে বহিষ্কৃত ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে একের পর এক তথ্য।

এবার জানা গেলো দীর্ঘদিন ধরে ডা. সাবরিনা তার এক রোগীর নামে নিবন্ধিত একটি মোবাইল সিম ব্যবহার করে আসছেন, যা বড় ধরনের অপরাধ।

পুলিশের ধারণা, এই সিম ব্যবহার করে কোনো অপরাধ করেও ডা. সাবরিনা সহজেই দায় এড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। সাবরিনার দাবি, ওই সিম কার নামে নিবন্ধিত তা তিনি জানতেন না।

তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরেই নম্বরটি সাবরিনা ব্যবহার করে আসছেন, যা তার নামে নিবন্ধিত নয়। গ্রেফতার হওয়ার আগে এ বিষয়ে হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সাবরিনার কক্ষে তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয় গণমাধ্যমের। ওই ফোন কার নামে নিবন্ধন করা জানতে চাইলে হতভম্ব হয়ে যান বিভিন্ন সময়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক টেলিভিশন আলোচনায় হাজির হওয়া এই কার্ডিয়াক সার্জান।

এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বলেন, ওই সিম কার নামে নিবন্ধিত তা আমি জানি না। পরে ব্যক্তিগত গাড়ি চালককে ডেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে বলেন সাবরিনা। গাড়ি চালক অন্য একজনকে ফোন করে খোঁজ নিয়ে বলেন, ওই সিম সাবরিনারই এক রোগীর নামে নেয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, এভাবে সিম ব্যবহার করা আইনসঙ্গত নয়। এই নম্বর ব্যবহার করে তিনি কোনো অপরাধ করলে দায় পড়বে আরেকজনের ওপর। সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কোনো জালিয়াতি হয়েছে কি না সেটাও একটি বিষয়। এটা একটা বড় অপরাধ। সাবরিনার ওই সিম ব্যবহারের বিষয়টিও তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবায়েত জামান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

জনপ্রিয়

মহাপরিচালকের কণ্ঠে কথিত অডিও নিয়ে তোলপাড়, ‘প্রযুক্তির কারসাজি’ বলছে রেলওয়ে

জিজ্ঞাসাবাদে গোপন তথ্য দিলেন সাবরিনা

প্রকাশিত : ০২:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

করোনার নমুনা পরীক্ষায় প্রতারণা মামলায় জেকেজি’র চেয়ারম্যান, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল থেকে বহিষ্কৃত ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে একের পর এক তথ্য।

এবার জানা গেলো দীর্ঘদিন ধরে ডা. সাবরিনা তার এক রোগীর নামে নিবন্ধিত একটি মোবাইল সিম ব্যবহার করে আসছেন, যা বড় ধরনের অপরাধ।

পুলিশের ধারণা, এই সিম ব্যবহার করে কোনো অপরাধ করেও ডা. সাবরিনা সহজেই দায় এড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। সাবরিনার দাবি, ওই সিম কার নামে নিবন্ধিত তা তিনি জানতেন না।

তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরেই নম্বরটি সাবরিনা ব্যবহার করে আসছেন, যা তার নামে নিবন্ধিত নয়। গ্রেফতার হওয়ার আগে এ বিষয়ে হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সাবরিনার কক্ষে তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয় গণমাধ্যমের। ওই ফোন কার নামে নিবন্ধন করা জানতে চাইলে হতভম্ব হয়ে যান বিভিন্ন সময়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক টেলিভিশন আলোচনায় হাজির হওয়া এই কার্ডিয়াক সার্জান।

এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বলেন, ওই সিম কার নামে নিবন্ধিত তা আমি জানি না। পরে ব্যক্তিগত গাড়ি চালককে ডেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে বলেন সাবরিনা। গাড়ি চালক অন্য একজনকে ফোন করে খোঁজ নিয়ে বলেন, ওই সিম সাবরিনারই এক রোগীর নামে নেয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, এভাবে সিম ব্যবহার করা আইনসঙ্গত নয়। এই নম্বর ব্যবহার করে তিনি কোনো অপরাধ করলে দায় পড়বে আরেকজনের ওপর। সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কোনো জালিয়াতি হয়েছে কি না সেটাও একটি বিষয়। এটা একটা বড় অপরাধ। সাবরিনার ওই সিম ব্যবহারের বিষয়টিও তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবায়েত জামান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর