১০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

সরকারি গুদামে চাল না দিলে কালো তালিকায় নাম উঠবে

যেসব চালকল মালিক সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করবেন না, তাদের অবশ্যই কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে সতর্ক করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি চালকল মালিকদের উদ্দেশে আবারও বলেছেন, ‘চালের বাজার স্থিতিশীল রাখুন। সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করুন। যদি তা না করেন তাহলে সরকার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যারা সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেবেন, তারা সরকারের সুনজরে থাকবেন। আর যারা চাল সরবরাহ করবে না তাদের অবশ্যই কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।’

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আইন, বিধি-বিধান যতই তৈরি করা হোক, এগুলোর সঠিক প্রয়োগ না হলে এর কার্যকারিতা যদি না থাকলে তা কোনও সুফল বয়ে আনবে না। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন্য সে কাজগুলো সেভাবে আর হচ্ছে না। কিন্তু অচিরেই নতুন করে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করা হবে। কেউ যেন ভেজাল খাদ্য তৈরি করতে না পারে, ভেজাল খাদ্য বিক্রি করতে না পারে, প্রতিটি খাদ্যের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয় সেদিকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টি রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় ভ্রাম্যমাণ টেস্টিং ল্যাবরেটরি তৈরি করতে পারলে যত বেশি খাদ্যদ্রব্য টেস্ট করা যাবে তত বেশি মানুষ এ সম্পর্কে জানতে পারবে ও সচেতন হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ / শেখ

জনপ্রিয়

সরকারি গুদামে চাল না দিলে কালো তালিকায় নাম উঠবে

প্রকাশিত : ০৭:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

যেসব চালকল মালিক সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করবেন না, তাদের অবশ্যই কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে সতর্ক করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি চালকল মালিকদের উদ্দেশে আবারও বলেছেন, ‘চালের বাজার স্থিতিশীল রাখুন। সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করুন। যদি তা না করেন তাহলে সরকার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যারা সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেবেন, তারা সরকারের সুনজরে থাকবেন। আর যারা চাল সরবরাহ করবে না তাদের অবশ্যই কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।’

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আইন, বিধি-বিধান যতই তৈরি করা হোক, এগুলোর সঠিক প্রয়োগ না হলে এর কার্যকারিতা যদি না থাকলে তা কোনও সুফল বয়ে আনবে না। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন্য সে কাজগুলো সেভাবে আর হচ্ছে না। কিন্তু অচিরেই নতুন করে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করা হবে। কেউ যেন ভেজাল খাদ্য তৈরি করতে না পারে, ভেজাল খাদ্য বিক্রি করতে না পারে, প্রতিটি খাদ্যের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয় সেদিকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টি রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় ভ্রাম্যমাণ টেস্টিং ল্যাবরেটরি তৈরি করতে পারলে যত বেশি খাদ্যদ্রব্য টেস্ট করা যাবে তত বেশি মানুষ এ সম্পর্কে জানতে পারবে ও সচেতন হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ / শেখ