০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

জোয়ারে প্লাবিত হাতিয়ার ২০ গ্রাম

তিনদিনের টানা বর্ষণ ও জোয়ারে পানিতে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ১১টি ইউনিয়নের ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজার পরিবার। ভেসে গেছে বসতবাড়ি ও পুকুরের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকা আউশ ধান।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ, অস্বাভাবিক জোয়ার এবং ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী সময়ে বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় জোয়ারের পানিতে হাতিয়া উপজেলার সুখচর, নলচিরা, চরঈশ্বর, চর কিং, হরনী, চানন্দী, নিঝুম দ্বীপ, জাহাজমারা, বুড়ির চর, সোনাদিয়া ও তমরদ্দি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন করে সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজচরা ও তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের স্রোতে ইউনিয়ন দুটির প্রায় ৫০টি পরিবারের বসতঘর ভেসে যায়। অনেকে বেড়ির ওপর খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

চর ইশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ জানান, প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে অনেকের বসতবাড়ি এবং পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে অনেকে। নলচিরা ঘাটের প্রায় ২০টি দোকানে পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয় এবং ৫টি দোকান জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেহেরাজ উদ্দিন জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় চারদিক থেকে ৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে দ্বীপের অধিকাংশ এলাকা। এতে ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। আবাদি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ও বনের মধ্যে বসবাস করা হরিণের দল লোকালয়ে চলে এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবারের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ ডটকম সম্পাদক দুই হাজার পরিবারকে উপহার দিলেন ঈদ সামগ্রী

জোয়ারে প্লাবিত হাতিয়ার ২০ গ্রাম

প্রকাশিত : ০২:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২০

তিনদিনের টানা বর্ষণ ও জোয়ারে পানিতে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ১১টি ইউনিয়নের ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজার পরিবার। ভেসে গেছে বসতবাড়ি ও পুকুরের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকা আউশ ধান।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ, অস্বাভাবিক জোয়ার এবং ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী সময়ে বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় জোয়ারের পানিতে হাতিয়া উপজেলার সুখচর, নলচিরা, চরঈশ্বর, চর কিং, হরনী, চানন্দী, নিঝুম দ্বীপ, জাহাজমারা, বুড়ির চর, সোনাদিয়া ও তমরদ্দি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন করে সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজচরা ও তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের স্রোতে ইউনিয়ন দুটির প্রায় ৫০টি পরিবারের বসতঘর ভেসে যায়। অনেকে বেড়ির ওপর খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

চর ইশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ জানান, প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে অনেকের বসতবাড়ি এবং পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে অনেকে। নলচিরা ঘাটের প্রায় ২০টি দোকানে পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয় এবং ৫টি দোকান জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেহেরাজ উদ্দিন জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় চারদিক থেকে ৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে দ্বীপের অধিকাংশ এলাকা। এতে ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। আবাদি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ও বনের মধ্যে বসবাস করা হরিণের দল লোকালয়ে চলে এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবারের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক